ঢাকা ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গলা কেটে হত্যা, স্বর্ণালঙ্কার লুট

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার ধামরাই পৌরশহরে নাহিদা আক্তার নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় খুনিরা নাহিদার কানের স্বর্ণের দুল ও গলার লকেট লুট করে নিয়ে গেছে। নাহিদা আক্তার স্থানীয় সেন্টাল স্কুলের কমার্স বিভাগের একজন শিক্ষার্থী ছিল এবং আসন্ন এসএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার বিকেলে ধামরাই পৌরশহরের পশ্চিম লাকুড়িয়াপাড়া মহল্লায় সাব্বির হোসেনের বাসায়। নিহত নাহিদা আক্তার তার নানির সাথে ওই বাসায় ভাড়া থাকতো। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হুদা খান, ওসি তদন্ত শহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।

নিহতের নানি দেলোয়ারা বেগম জানান, নাহিদা বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পরীক্ষা দিয়ে বাসায় ফেরে। এ সময় তিনি জরুরি কাজে বাইরে গিয়েছিলেন। ঘণ্টাখানেক পর ফিরে এসে তিনি নাহিদাকে গলাকাটা অবস্থায় দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হুদা খান জানিয়েছেন, এই লোমহর্ষক হত্যা কাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং খুনিদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর সীমান্তে বিজিবির সাহসী পদক্ষেপ: বিএসএফের হুমকির কড়া জবাব, প্রশংসা কুড়াচ্ছে জওয়ানরা

ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গলা কেটে হত্যা, স্বর্ণালঙ্কার লুট

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকার ধামরাই পৌরশহরে নাহিদা আক্তার নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় খুনিরা নাহিদার কানের স্বর্ণের দুল ও গলার লকেট লুট করে নিয়ে গেছে। নাহিদা আক্তার স্থানীয় সেন্টাল স্কুলের কমার্স বিভাগের একজন শিক্ষার্থী ছিল এবং আসন্ন এসএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার বিকেলে ধামরাই পৌরশহরের পশ্চিম লাকুড়িয়াপাড়া মহল্লায় সাব্বির হোসেনের বাসায়। নিহত নাহিদা আক্তার তার নানির সাথে ওই বাসায় ভাড়া থাকতো। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হুদা খান, ওসি তদন্ত শহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।

নিহতের নানি দেলোয়ারা বেগম জানান, নাহিদা বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পরীক্ষা দিয়ে বাসায় ফেরে। এ সময় তিনি জরুরি কাজে বাইরে গিয়েছিলেন। ঘণ্টাখানেক পর ফিরে এসে তিনি নাহিদাকে গলাকাটা অবস্থায় দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হুদা খান জানিয়েছেন, এই লোমহর্ষক হত্যা কাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং খুনিদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।