ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

সোমেশ্বরী নদীতে সেতুর অপেক্ষা ৫৪ বছরের: দুর্ভোগে শেরপুরের পাঁচ গ্রামের মানুষ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী রানীশিমুল ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রামের মানুষের কাছে সোমেশ্বরী নদী এক বড় বাধার নাম। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও এই নদীতে একটি সেতু নির্মিত হয়নি। ফলে বছরের পর বছর ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। নির্বাচনের আগে জনপ্রতিনিধিরা বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খাড়ামোরা, রাঙাজান, কোচপাড়া, তাওয়াকুচা ও বালিজুরি—এই পাঁচ গ্রামের মানুষকে নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে নদী পার হয়েই যাতায়াত করতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে কাঠের সাঁকো ভরসা হলেও বর্ষায় নৌকা ছাড়া উপায় থাকে না। পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বেড়ে গেলে যাতায়াত প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এবং অসুস্থ রোগীদের জন্য এই নদী পারাপার এক বিভীষিকায় পরিণত হয়। সময়মতো হাসপাতালে নিতে না পেরে অনেকের মৃত্যুও হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, সেতুটি নির্মাণের জন্য প্রাথমিক পরিকল্পনা থাকলেও কারিগরি কারণে তা থমকে আছে। নদীর গতিপ্রকৃতি ও দৈর্ঘ্য বিবেচনায় ১৩০ মিটারের একটি টেকসই সেতু প্রয়োজন, যার জন্য বাড়তি বরাদ্দের আবেদন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরগুনায় জেলেদের চাল আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তে কমিটি গঠন

সোমেশ্বরী নদীতে সেতুর অপেক্ষা ৫৪ বছরের: দুর্ভোগে শেরপুরের পাঁচ গ্রামের মানুষ

আপডেট সময় : ১১:৫৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী রানীশিমুল ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রামের মানুষের কাছে সোমেশ্বরী নদী এক বড় বাধার নাম। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও এই নদীতে একটি সেতু নির্মিত হয়নি। ফলে বছরের পর বছর ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। নির্বাচনের আগে জনপ্রতিনিধিরা বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খাড়ামোরা, রাঙাজান, কোচপাড়া, তাওয়াকুচা ও বালিজুরি—এই পাঁচ গ্রামের মানুষকে নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে নদী পার হয়েই যাতায়াত করতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে কাঠের সাঁকো ভরসা হলেও বর্ষায় নৌকা ছাড়া উপায় থাকে না। পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বেড়ে গেলে যাতায়াত প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এবং অসুস্থ রোগীদের জন্য এই নদী পারাপার এক বিভীষিকায় পরিণত হয়। সময়মতো হাসপাতালে নিতে না পেরে অনেকের মৃত্যুও হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, সেতুটি নির্মাণের জন্য প্রাথমিক পরিকল্পনা থাকলেও কারিগরি কারণে তা থমকে আছে। নদীর গতিপ্রকৃতি ও দৈর্ঘ্য বিবেচনায় ১৩০ মিটারের একটি টেকসই সেতু প্রয়োজন, যার জন্য বাড়তি বরাদ্দের আবেদন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।