ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

পরিচয় বিভ্রাট: ২০ মাস পর কবর থেকে উদ্ধার হলো লাশ, আসল ব্যক্তি জীবিত!

টাঙ্গাইলের মধুপুরে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, যেখানে প্রায় ২০ মাস পর কবর থেকে একটি লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। জানা গেছে, পরিচয় ভুল হওয়ার কারণে মৃতদেহটি ভুল ব্যক্তির স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে দাফন করা হয়েছিল। পরে জানা যায়, মৃত ব্যক্তি আসলে মেজবাহুল ইসলাম (৩০) নামে গাইবান্ধার এক যুবক, যিনি জীবিত ছিলেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এই লাশ উত্তোলন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং তা প্রকৃত স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় গত বছরের ৩১ জুলাই, যখন ঢাকার আশুলিয়া থানার নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের পাশের একটি বাগান থেকে এক অজ্ঞাত গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন মধুপুর পৌর শহরের নয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা হয়রত আলী ওই লাশটিকে তার ছেলে রিদয় বলে দাবি করেন এবং নিজ এলাকায় সেটি দাফন করেন। কিন্তু পরবর্তীকালে, গত বছরের ৭ আগস্ট রিদয় জীবিত অবস্থায় বাড়িতে ফিরে আসলে পুরো বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়। পরে, উদ্ধার হওয়া লাশের ছবি দেখে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ হাতীবান্ধা গ্রামের মো. হাফিজুর রহমান শনাক্ত করেন যে এটি তার নিখোঁজ ছেলে মেজবাহুল ইসলাম। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে আদালতের নির্দেশে মৃতদেহটি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সময় মধুপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নঈম উদ্দীন এবং টাঙ্গাইল পিবিআইয়ের ইন্সপেক্টর মো. শফিউল আলম উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামের উইকেট নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ কিউইরা, নজর সিরিজ জয়ে

পরিচয় বিভ্রাট: ২০ মাস পর কবর থেকে উদ্ধার হলো লাশ, আসল ব্যক্তি জীবিত!

আপডেট সময় : ১০:০৪:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

টাঙ্গাইলের মধুপুরে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, যেখানে প্রায় ২০ মাস পর কবর থেকে একটি লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। জানা গেছে, পরিচয় ভুল হওয়ার কারণে মৃতদেহটি ভুল ব্যক্তির স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে দাফন করা হয়েছিল। পরে জানা যায়, মৃত ব্যক্তি আসলে মেজবাহুল ইসলাম (৩০) নামে গাইবান্ধার এক যুবক, যিনি জীবিত ছিলেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এই লাশ উত্তোলন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং তা প্রকৃত স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় গত বছরের ৩১ জুলাই, যখন ঢাকার আশুলিয়া থানার নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের পাশের একটি বাগান থেকে এক অজ্ঞাত গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন মধুপুর পৌর শহরের নয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা হয়রত আলী ওই লাশটিকে তার ছেলে রিদয় বলে দাবি করেন এবং নিজ এলাকায় সেটি দাফন করেন। কিন্তু পরবর্তীকালে, গত বছরের ৭ আগস্ট রিদয় জীবিত অবস্থায় বাড়িতে ফিরে আসলে পুরো বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়। পরে, উদ্ধার হওয়া লাশের ছবি দেখে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ হাতীবান্ধা গ্রামের মো. হাফিজুর রহমান শনাক্ত করেন যে এটি তার নিখোঁজ ছেলে মেজবাহুল ইসলাম। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে আদালতের নির্দেশে মৃতদেহটি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সময় মধুপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নঈম উদ্দীন এবং টাঙ্গাইল পিবিআইয়ের ইন্সপেক্টর মো. শফিউল আলম উপস্থিত ছিলেন।