ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ফল পুনর্বিবেচনায় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিতর্কিত চূড়ান্ত ফলাফল রিভিউ করার উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। দীর্ঘ দুই মাসের নীরবতা ভেঙে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত সরকারের মেয়াদের শেষ সময়ে তাড়াহুড়ো করে নেওয়া এই নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস ও ডিজিটাল জালিয়াতির অসংখ্য অভিযোগ উঠেছিল। বিভিন্ন জেলায় ডিভাইসসহ পরীক্ষার্থী আটকের ঘটনা ঘটলেও সেসব আমলে না নিয়ে তড়িঘড়ি করে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের কাছে এ নিয়ে একাধিক অভিযোগ আসার পর তিনি পুরো প্রক্রিয়াটি পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষক নিয়োগের এই প্রক্রিয়াটি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন রয়েছে। ওভারনাইট পরীক্ষা ও দ্রুত ফল প্রকাশের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করা হচ্ছে, যা পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি পুনরায় যাচাই করবে।

এদিকে নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পরও দীর্ঘ সময় পার হয়ে যাওয়ায় অনিশ্চয়তায় পড়েছেন নির্বাচিত প্রার্থীরা। তারা অবিলম্বে যোগদানের তারিখ ঘোষণার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত এই লিখিত পরীক্ষায় ১০ লাখেরও বেশি প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন, যার চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয় ৮ ফেব্রুয়ারি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের তেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াল যুক্তরাষ্ট্র

প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ফল পুনর্বিবেচনায় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ১১:২০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিতর্কিত চূড়ান্ত ফলাফল রিভিউ করার উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। দীর্ঘ দুই মাসের নীরবতা ভেঙে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত সরকারের মেয়াদের শেষ সময়ে তাড়াহুড়ো করে নেওয়া এই নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস ও ডিজিটাল জালিয়াতির অসংখ্য অভিযোগ উঠেছিল। বিভিন্ন জেলায় ডিভাইসসহ পরীক্ষার্থী আটকের ঘটনা ঘটলেও সেসব আমলে না নিয়ে তড়িঘড়ি করে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের কাছে এ নিয়ে একাধিক অভিযোগ আসার পর তিনি পুরো প্রক্রিয়াটি পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষক নিয়োগের এই প্রক্রিয়াটি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন রয়েছে। ওভারনাইট পরীক্ষা ও দ্রুত ফল প্রকাশের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করা হচ্ছে, যা পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি পুনরায় যাচাই করবে।

এদিকে নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পরও দীর্ঘ সময় পার হয়ে যাওয়ায় অনিশ্চয়তায় পড়েছেন নির্বাচিত প্রার্থীরা। তারা অবিলম্বে যোগদানের তারিখ ঘোষণার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত এই লিখিত পরীক্ষায় ১০ লাখেরও বেশি প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন, যার চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয় ৮ ফেব্রুয়ারি।