ঢাকা ০৪:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি সংকটে পোশাক খাতে বড় বিপর্যয়: ক্রয়াদেশ যাচ্ছে ভারতে

দেশে চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে তৈরি পোশাক শিল্পে বড় ধরনের উৎপাদন বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বিদেশি ক্রেতারা তাদের ক্রয়াদেশ বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতে নিয়ে যাচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে জুলাই-আগস্ট মৌসুমের জন্য নির্ধারিত অনেক অর্ডার কমে গেছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত গভীর সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভবনে আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় ব্যবসায়ীরা এসব উদ্বেগের কথা জানান। বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী বলেন, গত আট মাস ধরে পোশাক রপ্তানিতে টানা নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলগুলোতে ডিজেল সংকটের কারণে উৎপাদন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জ্বালানি সংকটের খবর শুনে বিদেশি ক্রেতারা নতুন করে অর্ডার দিতে ভয় পাচ্ছেন।

এই সংকট মোকাবিলায় আগামী বাজেটে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে সব ধরনের কর ছাড়ের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান এ বিষয়ে নীতিগত সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়ে জানান, অতীতেও এ খাতে সুবিধা দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। আলোচনায় ঢাকা, সিলেট, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি এবং করপোরেট কর কমানোর দাবি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবরোধ প্রত্যাহার করলেই যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা সম্ভব: ইরান

জ্বালানি সংকটে পোশাক খাতে বড় বিপর্যয়: ক্রয়াদেশ যাচ্ছে ভারতে

আপডেট সময় : ০১:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

দেশে চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে তৈরি পোশাক শিল্পে বড় ধরনের উৎপাদন বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বিদেশি ক্রেতারা তাদের ক্রয়াদেশ বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতে নিয়ে যাচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে জুলাই-আগস্ট মৌসুমের জন্য নির্ধারিত অনেক অর্ডার কমে গেছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত গভীর সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভবনে আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় ব্যবসায়ীরা এসব উদ্বেগের কথা জানান। বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী বলেন, গত আট মাস ধরে পোশাক রপ্তানিতে টানা নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলগুলোতে ডিজেল সংকটের কারণে উৎপাদন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জ্বালানি সংকটের খবর শুনে বিদেশি ক্রেতারা নতুন করে অর্ডার দিতে ভয় পাচ্ছেন।

এই সংকট মোকাবিলায় আগামী বাজেটে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে সব ধরনের কর ছাড়ের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান এ বিষয়ে নীতিগত সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়ে জানান, অতীতেও এ খাতে সুবিধা দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। আলোচনায় ঢাকা, সিলেট, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি এবং করপোরেট কর কমানোর দাবি জানান।