ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

খুলনা মহানগরে ৯৪ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেবে কেসিসি

খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) এলাকায় ৯৩ হাজার ৭৮৮ জন শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার দুপুরে নগর স্বাস্থ্য ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এই টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ১০ মে পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইন চলবে। এতে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকার আওতায় আনা হবে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৩৮৪ জন স্কুলগামী শিশু এবং ৮০ হাজার ৪০৪ জন কমিউনিটি পর্যায়ের শিশু রয়েছে।

টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডকে ৪টি জোনে ভাগ করে মোট ২৫৬টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪টি স্থায়ী এবং ২৫২টি অস্থায়ী কেন্দ্র রয়েছে। মোট ৮২টি টিম এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে, যেখানে টিকাদান কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক এবং সুপারভাইজাররা দায়িত্ব পালন করবেন। শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানানো হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুনামগঞ্জে সাড়ে ৩ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি

খুলনা মহানগরে ৯৪ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেবে কেসিসি

আপডেট সময় : ০৬:০২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) এলাকায় ৯৩ হাজার ৭৮৮ জন শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার দুপুরে নগর স্বাস্থ্য ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এই টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ১০ মে পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইন চলবে। এতে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকার আওতায় আনা হবে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৩৮৪ জন স্কুলগামী শিশু এবং ৮০ হাজার ৪০৪ জন কমিউনিটি পর্যায়ের শিশু রয়েছে।

টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডকে ৪টি জোনে ভাগ করে মোট ২৫৬টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪টি স্থায়ী এবং ২৫২টি অস্থায়ী কেন্দ্র রয়েছে। মোট ৮২টি টিম এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে, যেখানে টিকাদান কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক এবং সুপারভাইজাররা দায়িত্ব পালন করবেন। শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানানো হয়।