ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের লোকসভায় আসন পুনর্বিন্যাস বিল পাসে ব্যর্থ মোদি সরকার

ভারতের সংসদে নারী সংরক্ষণ এবং লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আনা ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিলটি পাস করতে ব্যর্থ হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। শুক্রবার লোকসভায় ভোটাভুটির সময় প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না পাওয়ায় বিলটি আটকে যায়। ৫ ২৮ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ২৯৮ জন বিলের পক্ষে এবং ২৩০ জন বিপক্ষে ভোট প্রদান করেন।

সংসদের বিশেষ অধিবেশনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাসের পরিকল্পনা ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের। তবে নারী সংরক্ষণ সংক্রান্ত প্রথম বিলটিই পাস না হওয়ায় বাকি দুটি বিল নিয়ে ভোটাভুটিতে যায়নি সরকার। বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোট শুরু থেকেই এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করে আসছিল। তাদের দাবি, নারী সংরক্ষণের আড়ালে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে বিজেপি নিজেদের রাজনৈতিক ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার পরিকল্পনা করছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিরোধীদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে এটিকে জাতীয় স্বার্থের বিষয় হিসেবে দেখার এবং রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে বিরোধীরা তাদের অবস্থানে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত সংবিধান সংশোধনীর এই বড় উদ্যোগটি থমকে গেল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষাবৃত্তির হার দ্বিগুণ করছে সরকার, সুবিধা পাবে প্রাথমিক থেকে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা

ভারতের লোকসভায় আসন পুনর্বিন্যাস বিল পাসে ব্যর্থ মোদি সরকার

আপডেট সময় : ১০:৪২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের সংসদে নারী সংরক্ষণ এবং লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আনা ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিলটি পাস করতে ব্যর্থ হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। শুক্রবার লোকসভায় ভোটাভুটির সময় প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না পাওয়ায় বিলটি আটকে যায়। ৫ ২৮ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ২৯৮ জন বিলের পক্ষে এবং ২৩০ জন বিপক্ষে ভোট প্রদান করেন।

সংসদের বিশেষ অধিবেশনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাসের পরিকল্পনা ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের। তবে নারী সংরক্ষণ সংক্রান্ত প্রথম বিলটিই পাস না হওয়ায় বাকি দুটি বিল নিয়ে ভোটাভুটিতে যায়নি সরকার। বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোট শুরু থেকেই এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করে আসছিল। তাদের দাবি, নারী সংরক্ষণের আড়ালে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে বিজেপি নিজেদের রাজনৈতিক ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার পরিকল্পনা করছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিরোধীদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে এটিকে জাতীয় স্বার্থের বিষয় হিসেবে দেখার এবং রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে বিরোধীরা তাদের অবস্থানে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত সংবিধান সংশোধনীর এই বড় উদ্যোগটি থমকে গেল।