ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক তৎপরতায় ব্রিটেনের বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে নিজ দেশে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। গ্লুচেস্টারশায়ারের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড এবং ভারত মহাসাগরের ডিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ায় ব্রিটিশ নাগরিকদের একটি বড় অংশ ক্ষুব্ধ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের নেতিবাচক প্রভাব আগামী মাসের স্থানীয় নির্বাচনে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির ওপর পড়তে পারে।
ব্রিটেনের বিরোধী দলগুলো, বিশেষ করে গ্রিন পার্টি এই যুদ্ধের সরাসরি বিরোধিতা করছে। দলটির নেতা জ্যাক পোলানস্কি সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েলের মতো রাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধে সহায়তা করা বন্ধ করতে হবে এবং ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি বাতিল করতে হবে। ট্রাম্পের হুমকির মুখে স্টারমারের নতিস্বীকারকে অনেকেই ব্রিটিশ সার্বভৌমত্বের জন্য অবমাননাকর হিসেবে দেখছেন।
সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, লেবার পার্টির জনপ্রিয়তা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে এবং গ্রিন পার্টি অভাবনীয়ভাবে জনসমর্থন পাচ্ছে। গাজা ও ইরান ইস্যুতে সরকারের বিতর্কিত অবস্থান আগামী ৭ মে অনুষ্ঠিতব্য স্থানীয় ও বিকেন্দ্রীভূত আইনসভা নির্বাচনে লেবার পার্টির জন্য বড় ধরনের পরাজয় ডেকে আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















