ঢাকা ০৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

শেষ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি: গভীর সংকটের মুখে কূটনৈতিক তৎপরতা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনা নিরসনে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হলেও শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। বর্তমানে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি থাকায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দ্রুত কোনো সমাধানে পৌঁছানো না গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শান্তি প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার পেছনে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কিছুটা স্থবিরতা লক্ষ করা যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। এই সংকট নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। দেশটির সেনাপ্রধান বর্তমানে তেহরান সফরে রয়েছেন। তিনি কেবল যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বার্তাই পৌঁছে দিচ্ছেন না, বরং ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার আলোচনার একটি শক্ত ভিত্তি তৈরির চেষ্টা করছেন।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে পরবর্তী আলোচনার ভেন্যু হিসেবে ইসলামাবাদের নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এই মুহূর্তে অন্য কোনো ভেন্যুর কথা ভাবা হচ্ছে না। গত রোববার প্রথম দফার আলোচনা শেষ হওয়ার পর থেকে পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে প্রধান সংযোগকারী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সব পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে এবং উভয় পক্ষকে আবারও আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

তবে আলোচনার পথে এখনো বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। বিশেষ করে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি একটি বড় অমীমাংসিত ইস্যু হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এত বাধা সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ড্রোন বিধ্বস্ত

শেষ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি: গভীর সংকটের মুখে কূটনৈতিক তৎপরতা

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনা নিরসনে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হলেও শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। বর্তমানে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি থাকায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দ্রুত কোনো সমাধানে পৌঁছানো না গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শান্তি প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার পেছনে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কিছুটা স্থবিরতা লক্ষ করা যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। এই সংকট নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। দেশটির সেনাপ্রধান বর্তমানে তেহরান সফরে রয়েছেন। তিনি কেবল যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বার্তাই পৌঁছে দিচ্ছেন না, বরং ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার আলোচনার একটি শক্ত ভিত্তি তৈরির চেষ্টা করছেন।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে পরবর্তী আলোচনার ভেন্যু হিসেবে ইসলামাবাদের নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এই মুহূর্তে অন্য কোনো ভেন্যুর কথা ভাবা হচ্ছে না। গত রোববার প্রথম দফার আলোচনা শেষ হওয়ার পর থেকে পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে প্রধান সংযোগকারী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সব পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে এবং উভয় পক্ষকে আবারও আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

তবে আলোচনার পথে এখনো বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। বিশেষ করে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি একটি বড় অমীমাংসিত ইস্যু হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এত বাধা সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে।