ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

চীনের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে প্রস্তুত রাশিয়া

ইরানের তেলের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ফলে চীনে যে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ জানিয়েছেন, বেইজিংয়ের যেকোনো ধরনের জ্বালানি ঘাটতি পূরণে মস্কো সম্পূর্ণ প্রস্তুত। সম্প্রতি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

ল্যাভরভ বলেন, বৈশ্বিক রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও রাশিয়া ও চীনের পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট রয়েছে। যে দেশগুলো রাশিয়ার সঙ্গে ন্যায্য বাণিজ্যে আগ্রহী, তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাশিয়া অঙ্গীকারবদ্ধ। মূলত ইরানের তেলের বড় ক্রেতা হওয়ার কারণে চীনকে চাপে ফেলতে ওয়াশিংটন যে কৌশল নিয়েছে, রাশিয়ার এই প্রস্তাব তাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যখন বেইজিংকে ইরানি তেল কেনা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করছে, তখন রাশিয়ার এই জ্বালানি সহায়তার প্রস্তাব ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। পুতিন ও জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠতা দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করছে, যা বিশ্ব বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশীয় টেলিকম খাত ধ্বংসের ব্লুপ্রিন্ট: নতুন লাইসেন্সিং নীতিমালার ব্যবচ্ছেদ

চীনের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে প্রস্তুত রাশিয়া

আপডেট সময় : ১০:৩৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের তেলের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ফলে চীনে যে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ জানিয়েছেন, বেইজিংয়ের যেকোনো ধরনের জ্বালানি ঘাটতি পূরণে মস্কো সম্পূর্ণ প্রস্তুত। সম্প্রতি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

ল্যাভরভ বলেন, বৈশ্বিক রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও রাশিয়া ও চীনের পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট রয়েছে। যে দেশগুলো রাশিয়ার সঙ্গে ন্যায্য বাণিজ্যে আগ্রহী, তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাশিয়া অঙ্গীকারবদ্ধ। মূলত ইরানের তেলের বড় ক্রেতা হওয়ার কারণে চীনকে চাপে ফেলতে ওয়াশিংটন যে কৌশল নিয়েছে, রাশিয়ার এই প্রস্তাব তাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যখন বেইজিংকে ইরানি তেল কেনা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করছে, তখন রাশিয়ার এই জ্বালানি সহায়তার প্রস্তাব ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। পুতিন ও জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠতা দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করছে, যা বিশ্ব বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।