ঢাকা ১০:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

চিরিরবন্দরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনায় এএসআই ক্লোজড

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গিয়ে পুলিশের হাতে সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত এএসআই আক্তারুজ্জামানকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা গত সোমবার দিবাগত রাত সোয়া ১১টায় এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার সকাল ১০টায় দৈনিক কালবেলা পত্রিকার চিরিরবন্দর প্রতিনিধি জাফর ইকবাল তার মোবাইল হারানোর বিষয়ে জিডি করতে থানায় যান। কম্পিউটার অপারেটর তাকে ডিউটি অফিসারের কাছে পাঠান এবং ডিউটি অফিসার আবার অপারেটরের কাছে যেতে বলেন। কয়েক দফা ঘোরানোর পর ক্ষুব্ধ হয়ে সাংবাদিক ওসি তদন্তকে ফোন করে অভিযোগ জানান। এতে ডিউটি অফিসার এএসআই আক্তারুজ্জামান ও কম্পিউটার অপারেটর সাংবাদিকের কলার ধরে হাজতখানায় নেওয়ার চেষ্টা করে এবং তার মোবাইল ফোন ও পত্রিকার আইডি কার্ড কেড়ে নেয়।

এই ঘটনা জানাজানি হলে চিরিরবন্দর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকসহ বিভিন্ন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদকের নির্দেশে ওই সাংবাদিক পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সুপার এএসপি সদর সার্কেলকে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেন এবং দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্তের ভিত্তিতে অভিযুক্ত এএসআই আক্তারুজ্জামানকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় ১১ ইসরাইলি সেনা আহত, আশঙ্কাজনক ৩

চিরিরবন্দরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনায় এএসআই ক্লোজড

আপডেট সময় : ০৭:০২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গিয়ে পুলিশের হাতে সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত এএসআই আক্তারুজ্জামানকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা গত সোমবার দিবাগত রাত সোয়া ১১টায় এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার সকাল ১০টায় দৈনিক কালবেলা পত্রিকার চিরিরবন্দর প্রতিনিধি জাফর ইকবাল তার মোবাইল হারানোর বিষয়ে জিডি করতে থানায় যান। কম্পিউটার অপারেটর তাকে ডিউটি অফিসারের কাছে পাঠান এবং ডিউটি অফিসার আবার অপারেটরের কাছে যেতে বলেন। কয়েক দফা ঘোরানোর পর ক্ষুব্ধ হয়ে সাংবাদিক ওসি তদন্তকে ফোন করে অভিযোগ জানান। এতে ডিউটি অফিসার এএসআই আক্তারুজ্জামান ও কম্পিউটার অপারেটর সাংবাদিকের কলার ধরে হাজতখানায় নেওয়ার চেষ্টা করে এবং তার মোবাইল ফোন ও পত্রিকার আইডি কার্ড কেড়ে নেয়।

এই ঘটনা জানাজানি হলে চিরিরবন্দর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকসহ বিভিন্ন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদকের নির্দেশে ওই সাংবাদিক পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সুপার এএসপি সদর সার্কেলকে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেন এবং দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্তের ভিত্তিতে অভিযুক্ত এএসআই আক্তারুজ্জামানকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়।