ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধ শুরু, কড়া সতর্কবার্তা ট্রাম্পের

ইরানের সকল বন্দর লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নৌ-অবরোধ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হতে শুরু করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরে অবস্থিত ইরানের বন্দরগুলোর দিকে যাওয়া এবং সেখান থেকে বের হওয়া সকল নৌযানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা থেকে এই বিশেষ অভিযান শুরু করে মার্কিন নৌবাহিনী।

এক বিবৃতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের কোনো যুদ্ধজাহাজ বা আক্রমণকারী নৌযান যদি মার্কিন অবরোধের ধারেকাছে আসার দুঃসাহস দেখায়, তবে সেগুলোকে সরাসরি গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌবাহিনীর বড় একটি অংশ ইতিমধ্যে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত কঠোর রণকৌশল এবার ইরানের নৌযানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। এই অবরোধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক ও সামরিক যোগাযোগ ব্যবস্থা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নববর্ষের ঐতিহ্য ও চৈত্রসংক্রান্তির তাৎপর্য: বৈশাখে ইলিশের আড়ালে হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ উৎসব

ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধ শুরু, কড়া সতর্কবার্তা ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ১২:২৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সকল বন্দর লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নৌ-অবরোধ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হতে শুরু করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরে অবস্থিত ইরানের বন্দরগুলোর দিকে যাওয়া এবং সেখান থেকে বের হওয়া সকল নৌযানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা থেকে এই বিশেষ অভিযান শুরু করে মার্কিন নৌবাহিনী।

এক বিবৃতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের কোনো যুদ্ধজাহাজ বা আক্রমণকারী নৌযান যদি মার্কিন অবরোধের ধারেকাছে আসার দুঃসাহস দেখায়, তবে সেগুলোকে সরাসরি গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌবাহিনীর বড় একটি অংশ ইতিমধ্যে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত কঠোর রণকৌশল এবার ইরানের নৌযানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। এই অবরোধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক ও সামরিক যোগাযোগ ব্যবস্থা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।