যশোরের বেনাপোলে দুই ভাইয়ের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বাড়ির উঠানের মাঝখানে বাঁশের বেড়া দিয়ে চলাচলের পথ সীমিত করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে গত এক সপ্তাহ ধরে চরম দুর্ভোগে পড়েছে একটি পরিবার। বেড়ার কারণে পরিবারের স্বাভাবিক চলাচল, গবাদিপশু পালন এবং উপার্জনের একমাত্র বাহন ইজিবাইক বাড়িতে প্রবেশ করানো ও বের করতে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ-বৈঠক করেও বিরোধের সমাধান না হওয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মশিয়ার মল্লিক।
রোববার (১ নভেম্বর) সকালে বেনাপোল পোর্ট থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের শাখারিপোতা এলাকার রায়পুর গ্রামে নিজ বাড়ির উঠানে দেওয়া বাঁশের বেড়া দেখিয়ে পরিবারের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন মশিয়ার মল্লিক। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মশিয়ার মল্লিক জানান, আট শতক পৈতৃক ভিটায় স্ত্রী, দুই সন্তান ও সদ্য বিবাহিত ছেলের স্ত্রীকে নিয়ে তাঁর বসবাস। বাবা সাহেব আলী মল্লিকের মৃত্যুর পর মা, চার ভাই ও পাঁচ বোনের মধ্যে পৈতৃক সম্পত্তি ভাগ হয়। বড় ভাই আতিয়ার মল্লিকের দুই শতক জমি বাদে নিজের অংশ এবং অন্য ভাই-বোনদের কাছ থেকে জমি কিনে বর্তমানে তিনি ছয় শতক জমির মালিক। বাকি দুই শতক জমির মালিক আতিয়ার মল্লিক।
মশিয়ারের অভিযোগ, বড় ভাইয়ের দুই শতক জমি কেনা কিংবা জমি বিনিময়ের জন্য তিনি একাধিকবার প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু তাতে সাড়া না দিয়ে এক সপ্তাহ আগে নিজের ঘরের সামনে দিয়ে লম্বালম্বিভাবে বাঁশের বেড়া দিয়ে উঠান ঘিরে দেন আতিয়ার। এতে পরিবারের সদস্যদের স্বাভাবিক চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছে। সামাজিকভাবে তাঁকে হেয় করতেই এভাবে বেড়া দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে স্থানীয় মাতবর ও এলাকাবাসী জানান, ঘরের সামনে বেড়া দেওয়ায় পরিবারটি চরম কষ্টে আছে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য গ্রামবাসী একাধিকবার উদ্যোগ নিলেও আতিয়ার মল্লিক সমাধান মেনে নেননি। যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আগেই তাঁরা প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করছেন।

























