যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য কিংবা আশঙ্কাজনকভাবে কম, সেগুলোকে দ্রুত জবাবদিহির আওতায় আনতে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কঠোর ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে পোস্টের মাধ্যমে এ কঠোর নির্দেশনার কথা নিশ্চিত করেন তিনি।
ফেসবুক বার্তায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়, আশঙ্কাজনক বাজে ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সাত কার্যদিবসের মধ্যে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে শনিবার ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। এ বছর মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী। পুরো দেশে জিপিএ-৫ লাভ করেছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ফলাফলের পাসের হারে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ হলেও ছাত্রদের ক্ষেত্রে তা ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার দিক থেকে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্ররা।
বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ পাসের হার অর্জন করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড (৬১.৮০%)। আর সর্বনিম্ন পাসের হার রেকর্ড করা হয়েছে বরিশাল বোর্ডে (৪৪.৮৪%)।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এবার সারাদেশের মোট ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি, যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
























