সংগীতশিল্পী হিসেবে শ্রোতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন আহমেদ হাসান সানি। তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘সব প্লাস্টিকের পুতুল’, ‘আমারে উড়াইয়া দিও’, ‘আমরা হয়তো’, ‘শহরের দুইটা গান’, ‘পথের গান’ এবং ‘কেমনে কী’। একজন বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাতা হিসেবেও তার খ্যাতি রয়েছে। এবার তিনি দর্শকদের সামনে আসছেন তার পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’ নিয়ে।
ছবিটি গত ডিসেম্বরে মুক্তির কথা থাকলেও, নতুন ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১৬ জানুয়ারি সারাদেশের প্রেক্ষাগৃহে এটি মুক্তি পাচ্ছে।
এই চলচ্চিত্রে যুগ যুগ ধরে চলে আসা রাজনৈতিক অস্থিরতার নানা অনুষঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমার ক্যানভাসে উঠে এসেছে দেশভাগ, স্বাধীনতার রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক লড়াই পেরিয়ে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট।
প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রসঙ্গে আহমেদ হাসান সানি বলেন, “এর আগে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ করলেও, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ কিছুটা কষ্টকর ও একইসঙ্গে উত্তেজনার বিষয়। প্রথম কষ্টের ধাপ পার হওয়ায় এখন বেশ স্বস্তি বোধ করছি।”
সিনেমা নির্মাণে কোনো সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন কিনা জানতে চাইলে নির্মাতা জানান, কুয়াকাটায় শুটিংয়ের সময় তাদের ঝড়বৃষ্টির কবলে পড়তে হয়েছিল। এছাড়া, রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে কাজ করায় পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন বইপত্র থেকে গবেষণা করতে হয়েছে।
ছবির নামের তাৎপর্য প্রসঙ্গে নির্মাতা বলেন, “হোটেল, বাস বা রেস্টুরেন্টের মতো জায়গায় প্রায়ই লেখা থাকে ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ নিষিদ্ধ’। রাজনৈতিক আলোচনাকে সমাজে এক ধরনের ‘ট্যাবু’ বা নিষিদ্ধ বিষয় হিসেবে দেখা হয়। এই ট্যাবু ভাঙার লক্ষ্যেই সিনেমাটি নির্মাণ করা হয়েছে।”
‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ, আজাদ আবুল কালাম, তানভীর অপূর্ব, এ কে আজাদ সেতু, কেয়া আলম প্রমুখ। শ্যামল বাংলা মিডিয়া লিমিটেডের সহ-প্রযোজনায় নির্মিত এই ছবিটির গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন খালিদ মাহমুদ তুর্য। চলচ্চিত্রটি ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এর ২৪তম আসরেও প্রদর্শিত হবে।
রিপোর্টারের নাম 

























