খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনে শিক্ষক নিয়োগের যাচাই (স্ক্রুটিনি) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দুই শিক্ষককে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বহিষ্কৃতরা হলেন—সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক ড. কাজী হুমায়ুন কবির এবং তাকে অনিয়মে সহযোগিতার দায়ে অভিযুক্ত শিক্ষক কামরুল হাসান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের প্রশাসন শাখা থেকে জারিকৃত পৃথক অফিস আদেশে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। আদেশে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ২৩৪তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মেলায় তাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অফিস আদেশ সূত্রে জানা গেছে, ড. কাজী হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগের স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার, গুরুতর অনিয়ম এবং পেশাগত দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই অনিয়ম বাস্তবায়নে প্রত্যক্ষ সহযোগিতার দায়ে কামরুল হাসানকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারা মোতাবেক তাদের সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় সিন্ডিকেট।
এ বিষয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এবং তদন্ত কমিটির প্রাথমিক প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে অধিকতর তদন্তাধীন রয়েছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, তদন্ত প্রক্রিয়া শেষে তারা যদি নির্দোষ প্রমাণিত হন, তবে বিধি অনুযায়ী বকেয়া বেতন-ভাতাসহ তাদের স্বপদে পুনর্বহাল করা হবে। তবে অভিযোগ চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হলে সিন্ডিকেট পরবর্তী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সাময়িক বহিষ্কারের বিষয়ে অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে ভবিষ্যতে যথাযথ মাধ্যমে তারা নিজেদের অবস্থান ও বক্তব্য তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 






















