** সারা দেশে হাড়কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। কনকনে ঠান্ডার কারণে দেশের হাসপাতালগুলোতে দিন দিন বাড়ছে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। উদ্ভূত এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে দেশের সব হাসপাতালের জন্য ৭ দফা বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশনাগুলো প্রদান করা হয়। জনস্বার্থে নেওয়া এই পদক্ষেপগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য দেশের সব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাসপাতালের যেসব স্থানে জানালার কাঁচ ভাঙা বা দরজা দিয়ে ঠান্ডা বাতাস প্রবেশের সুযোগ রয়েছে, সেগুলো অবিলম্বে মেরামত করতে হবে। রোগীদের শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচাতে পর্যাপ্ত কম্বল ও মশারি সরবরাহ নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
শীতকালীন রোগের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতি মেটাতে নেবুলাইজার সলিউশন, জরুরি অ্যান্টিবায়োটিক, অক্সিজেন সিলিন্ডার, ওরাল স্যালাইন ও আইভি ফ্লুইডসহ সব ধরনের জীবনরক্ষাকারী ওষুধের পর্যাপ্ত মজুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ডের রোগীদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, এসব ওয়ার্ডে চিকিৎসকদের নিয়মিত বৈকালিক রাউন্ড নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া রোগী ও তাদের স্বজনদের শীতকালীন রোগ প্রতিরোধে সচেতন করতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য শিক্ষা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিনের স্বাস্থ্য পরিস্থিতির তথ্য নিয়মিতভাবে এমআইএস কন্ট্রোল রুমে পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে। পাশাপাশি শীতকালীন রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে হাসপাতাল প্রধানদের কার্যক্রমের ওপর কঠোর নজরদারি রাখার কথা জানানো হয় চিঠিতে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আশা করছে, এই ৭ দফা নির্দেশনা যথাযথভাবে পালিত হলে শীতজনিত রোগের ঝুঁকি হ্রাস পাবে এবং রোগীরা দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পাবেন।
রিপোর্টারের নাম 

























