ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

৪৮তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্তদের দ্রুত গেজেট ও পদায়নের দাবি

স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রায় ১২ হাজার ৯৮০টি চিকিৎসক পদ শূন্য রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে তীব্র চিকিৎসক সংকট থাকা সত্ত্বেও ৩ হাজার ৫০০–এর বেশি প্রস্তুত চিকিৎসককে পদায়ন না করে বসিয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা। এতে তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম এর আগে জানিয়েছিলেন, ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে তিন হাজারের বেশি চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম নভেম্বরের মধ্যেই শেষ হবে। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান দ্রুত ও স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন। তবে বাস্তবে সেই আশ্বাসের প্রতিফলন এখনও দেখা যাচ্ছে না।

আয়োজকেরা জানান, দ্রুত নিয়োগের আশায় অনেক সুপারিশপ্রাপ্ত চিকিৎসক এফসিপিএস, এমডি–এমএসসহ চলমান উচ্চতর প্রশিক্ষণ ছেড়ে দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ ছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দ্রুত নিয়োগের আশ্বাস। কিন্তু ৩ মাস গড়িয়ে গেলেও চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ ও পদায়ন না হওয়ায় এই তরুণ চিকিৎসকরা এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। একদিকে ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে উচ্চতর শিক্ষা থেকে বিরতি নেওয়ায় তাদের একাডেমিক ধারাবাহিকতাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. মো. রুহুল আমিন, ডা. মো. রিফাত খন্দকার, ডা. ইশরাত জাহানে ঈসা, ডা. আজাদ হোসেন ও রাতুল বালা বিশ্বাস।

এসএইচ/এফএ

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিপিএল মহারণ: আজ সিলেট-রংপুর, ঢাকা-রাজশাহী; টিভিতে কখন দেখবেন?

৪৮তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্তদের দ্রুত গেজেট ও পদায়নের দাবি

আপডেট সময় : ০১:২৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রায় ১২ হাজার ৯৮০টি চিকিৎসক পদ শূন্য রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে তীব্র চিকিৎসক সংকট থাকা সত্ত্বেও ৩ হাজার ৫০০–এর বেশি প্রস্তুত চিকিৎসককে পদায়ন না করে বসিয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা। এতে তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম এর আগে জানিয়েছিলেন, ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে তিন হাজারের বেশি চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম নভেম্বরের মধ্যেই শেষ হবে। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান দ্রুত ও স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন। তবে বাস্তবে সেই আশ্বাসের প্রতিফলন এখনও দেখা যাচ্ছে না।

আয়োজকেরা জানান, দ্রুত নিয়োগের আশায় অনেক সুপারিশপ্রাপ্ত চিকিৎসক এফসিপিএস, এমডি–এমএসসহ চলমান উচ্চতর প্রশিক্ষণ ছেড়ে দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ ছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দ্রুত নিয়োগের আশ্বাস। কিন্তু ৩ মাস গড়িয়ে গেলেও চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ ও পদায়ন না হওয়ায় এই তরুণ চিকিৎসকরা এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। একদিকে ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে উচ্চতর শিক্ষা থেকে বিরতি নেওয়ায় তাদের একাডেমিক ধারাবাহিকতাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. মো. রুহুল আমিন, ডা. মো. রিফাত খন্দকার, ডা. ইশরাত জাহানে ঈসা, ডা. আজাদ হোসেন ও রাতুল বালা বিশ্বাস।

এসএইচ/এফএ