ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

ফাস্ট ফুডের ভিড়ে, শিশুদের সবজি খাওয়ানোর সহজ উপায়

আমাদের শরীরের সঠিকভাবে বেড়ে উঠা, শক্তির জোগান, আর সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে যে জিনিসটা সবচেয়ে নিঃশব্দে কিন্তু সবচেয়ে সফলভাবে কাজ করে—তা হলো শাকসবজি ও ফলমূল। শাকসবজি, ফলমূল হলো শক্তি এবং পুষ্টির একেকটি পাওয়ার হাউস যা শরীরের হাড়, মস্তিষ্ক, চোখ, হজমব্যবস্থা থেকে শুরু করে প্রতিরোধক্ষমতা পর্যন্ত সবকিছুকে ভেতর থেকে গড়ে তোলে। নিয়মিত সবজি খাওয়াটা শুধু ভালো অভ্যাস নয়—এটা ভবিষ্যৎ সুস্থতার ভিত্তি। যার শুরু হতে হয় শৈশবকাল থেকেই।

ভালো ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার সেরা সময় হলো শৈশব ও কৈশোরের গঠনমূলক সময়গুলো। এই সময়টাই আমাদের দেহের বেড়ে উঠবার সময় আর এই সময়েই ভালো অভ্যাস গড়ে তোলা তুলনামূলকভাবে সহজ। বিশেষজ্ঞরা প্রায়ই পরামর্শ দেন, সুযোগ পেলেই শিশুদের ফল এবং সবজি খাওয়ানো উচিত, কারণ তাদের বাড়ন্ত শরীরের হাড়, মস্তিষ্ক, দৃষ্টিশক্তি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের সঠিক বিকাশের জন্য যথাযথ সবজি অত্যন্ত জরুরি। বলা হয়ে থাকে, একটি শিশুর প্রতিদিন অন্তত ১৫ গ্রাম পুষ্টিকর সবজি খাওয়া উচিত, যাতে তার রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দৃঢ় থাকে এবং শরীর ও মনের সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত হয়।

এটি মনে রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। যখন শরীর ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না, তখন তার প্রভাব মনের ওপরও পড়ে—আমরা ক্লান্ত, অবসন্ন বা অনুপ্রাণহীন অনুভব করতে পারি, যা ধীরে ধীরে দৈনন্দিন কাজকর্মকেও ব্যাহত করে। এ থেকেই বোঝা যায় যে সুস্থ, সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা একটি সুখী ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনের জন্য অপরিহার্য।  

কিন্তু বাস্তবতা হলো—এই বিষয়টি মানতে কিংবা পালন করতে অনেক প্রাপ্তবয়স্কই হিমশিম খায়; তাই শিশুদের জন্য এটি কঠিন হওয়াটা খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়। ইউনিসেফের ‘চাইল্ড নিউট্রিশন রিপোর্ট ২০২৫’-এ একটি উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে—দেশের প্রায় ৪৬% শিশু সবজি খেতে অনীহা প্রকাশ করে। আবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক গোলটেবিল আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, বর্তমান প্রজন্মের শিশু-কিশোররা ক্রমশ ফাস্ট ফুডের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হচ্ছে। এর পেছনে তাদের আশপাশের পরিবেশ, ফাস্ট ফুডের সহজলভ্যতা, কিংবা ফাস্ট ফুড ব্র্যান্ডগুলোর চটকদার বিপণন কৌশল—সবই বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে।

দুঃখজনকভাবে, ফাস্ট ফুডে পুষ্টিগুণ খুবই সামান্য। তার বিপরীতে ভেজস্প্রেডে ব্যবহৃত সবজিসমূহ বাচ্চাদের জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপাদানে ভরপুর। ভেজস্প্রেডের উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়েছে পালংশাক, ব্রকোলি, হেজেলনাট, গাজরের মতো পুষ্টিতে ভরপুর সব সবজি। এই সবজিগুলো কতটা প্রয়োজনীয় তা বুঝার জন্য এগুলো থেকে আমরা একটি সবজি ধরে নেই। যেমন ব্রকোলি। এই সবজিটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও এমন সব উদ্ভিজ্জ উপাদানে ভরপুর, যা চোখ ও হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ আছে। ব্রকোলি প্রচুর আঁশ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, আয়রন ও পটাশিয়ামের ভালো উৎস। গবেষণায় দেখা গেছে, কাঁচা ব্রকোলির প্রায় ৯০% অংশ পানি, ৭% কার্বোহাইড্রেট, ৩% প্রোটিন এবং এতে ফ্যাটের পরিমাণ প্রায় নেই বললেই চলে। এত গুণ থাকা সত্ত্বেও এর একমাত্র বড় সীমাবদ্ধতা হলো এর স্বাদ—আর কিছু শিশুর ক্ষেত্রে এর টেক্সচারও সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। সত্যি বলতে, অনেক সবজির ক্ষেত্রেই এমনটা  ঘটে। তাই বাবা–মায়েরা প্রায়ই নানা কৌশল অবলম্বন করেন—যেমন কিমার মধ্যে সবজি মিশিয়ে কোফতা বানানো, কিংবা সবজিকে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মতো রূপ দিয়ে প্রিয় খাবারের সঙ্গে পরিবেশন করা। কিন্তু দেখা যায়, বাচ্চারা খুব তাড়াতাড়িই এসব কৌশল ধরে ফেলতে পারে।

এই চ্যালেঞ্জকে সহজভাবে মোকাবিলা করতে অর্গানিক নিউট্রিশন লিমিটেড বের করেছে এক অভিনব সমাধান। তাদের ভাবনা ছিল: ‘শিশুরা যা খেতে ভালোবাসে, তাতেই নাহয় গুঁজে দেই তাদের প্রকৃত প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো?’ এই চিন্তা থেকেই জন্ম নিয়েছে কারকুমা ভেজস্প্রেড—একটি সুস্বাদু চকলেট স্প্রেড, যা গাজর, ব্রকোলি, পালং শাক, হ্যাজেলনাট, মালবেরি এবং আরও নানা প্রয়োজনীয় উপাদানে সমৃদ্ধ।

মাত্র এক চামচ ভেজস্প্রেডে থাকে প্রায় ৩০ গ্রাম সবজি। অর্থাৎ দিনে ৪–৫ চামচ ভেজস্প্রেড খেলেই শিশুদের বাড়ন্ত শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর বড় একটি অংশ পাওয়া সম্ভব—তাও আবার কোনও ঝামেলা বা টানাপোড়েন ছাড়াই।

এতেই শেষ নয়—এতে ব্যবহৃত হয়েছে ব্রাউন সুগার, যা সাধারণ সাদা চিনির তুলনায় তুলনামূলকভাবে ভালো বিকল্প এবং এটি সম্পূর্ণ নন-জিএমও উপাদানে তৈরি। কোকোবিনের ফ্লেভারে সবজির স্বাদ ও টেক্সচারকে এমনভাবে আড়াল করা হয়েছে যে শিশুদের কাছে এটি কেবলই চকলেটি একটি স্প্রেড হিসেবে ধরা দেয়। সবচেয়ে সুবিধাজনক বিষয় হলো, এতে কোনও ঝামেলা নেই—না সবজি কাটাকাটি, না ব্লেন্ড করা, না গোপন রেসিপি ভেবে বের করার চাপ। শুধু রুটি বা পাউরুটির ওপর মেখে দেওয়া যায়, কিংবা প্রয়োজন হলে স্রেফ কয়েক চামচ হিসেবেও খাওয়ানো সম্ভব।

ফলে একদিকে শিশুরা তাদের প্রিয় স্বাদের নাশতা উপভোগ করতে পারে, অন্যদিকে মায়েরা নিশ্চিন্ত থাকেন এই ভেবে যে, সন্তান আসলে এমন কিছুই খাচ্ছে যা তার শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য সত্যিকারের উপকারী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমারে সু চির সাবেক আসনে জয়ী জান্তা সমর্থিত দল ইউএসডিপি

ফাস্ট ফুডের ভিড়ে, শিশুদের সবজি খাওয়ানোর সহজ উপায়

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

আমাদের শরীরের সঠিকভাবে বেড়ে উঠা, শক্তির জোগান, আর সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে যে জিনিসটা সবচেয়ে নিঃশব্দে কিন্তু সবচেয়ে সফলভাবে কাজ করে—তা হলো শাকসবজি ও ফলমূল। শাকসবজি, ফলমূল হলো শক্তি এবং পুষ্টির একেকটি পাওয়ার হাউস যা শরীরের হাড়, মস্তিষ্ক, চোখ, হজমব্যবস্থা থেকে শুরু করে প্রতিরোধক্ষমতা পর্যন্ত সবকিছুকে ভেতর থেকে গড়ে তোলে। নিয়মিত সবজি খাওয়াটা শুধু ভালো অভ্যাস নয়—এটা ভবিষ্যৎ সুস্থতার ভিত্তি। যার শুরু হতে হয় শৈশবকাল থেকেই।

ভালো ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার সেরা সময় হলো শৈশব ও কৈশোরের গঠনমূলক সময়গুলো। এই সময়টাই আমাদের দেহের বেড়ে উঠবার সময় আর এই সময়েই ভালো অভ্যাস গড়ে তোলা তুলনামূলকভাবে সহজ। বিশেষজ্ঞরা প্রায়ই পরামর্শ দেন, সুযোগ পেলেই শিশুদের ফল এবং সবজি খাওয়ানো উচিত, কারণ তাদের বাড়ন্ত শরীরের হাড়, মস্তিষ্ক, দৃষ্টিশক্তি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের সঠিক বিকাশের জন্য যথাযথ সবজি অত্যন্ত জরুরি। বলা হয়ে থাকে, একটি শিশুর প্রতিদিন অন্তত ১৫ গ্রাম পুষ্টিকর সবজি খাওয়া উচিত, যাতে তার রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দৃঢ় থাকে এবং শরীর ও মনের সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত হয়।

এটি মনে রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। যখন শরীর ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না, তখন তার প্রভাব মনের ওপরও পড়ে—আমরা ক্লান্ত, অবসন্ন বা অনুপ্রাণহীন অনুভব করতে পারি, যা ধীরে ধীরে দৈনন্দিন কাজকর্মকেও ব্যাহত করে। এ থেকেই বোঝা যায় যে সুস্থ, সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা একটি সুখী ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনের জন্য অপরিহার্য।  

কিন্তু বাস্তবতা হলো—এই বিষয়টি মানতে কিংবা পালন করতে অনেক প্রাপ্তবয়স্কই হিমশিম খায়; তাই শিশুদের জন্য এটি কঠিন হওয়াটা খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়। ইউনিসেফের ‘চাইল্ড নিউট্রিশন রিপোর্ট ২০২৫’-এ একটি উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে—দেশের প্রায় ৪৬% শিশু সবজি খেতে অনীহা প্রকাশ করে। আবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক গোলটেবিল আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, বর্তমান প্রজন্মের শিশু-কিশোররা ক্রমশ ফাস্ট ফুডের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হচ্ছে। এর পেছনে তাদের আশপাশের পরিবেশ, ফাস্ট ফুডের সহজলভ্যতা, কিংবা ফাস্ট ফুড ব্র্যান্ডগুলোর চটকদার বিপণন কৌশল—সবই বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে।

দুঃখজনকভাবে, ফাস্ট ফুডে পুষ্টিগুণ খুবই সামান্য। তার বিপরীতে ভেজস্প্রেডে ব্যবহৃত সবজিসমূহ বাচ্চাদের জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপাদানে ভরপুর। ভেজস্প্রেডের উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়েছে পালংশাক, ব্রকোলি, হেজেলনাট, গাজরের মতো পুষ্টিতে ভরপুর সব সবজি। এই সবজিগুলো কতটা প্রয়োজনীয় তা বুঝার জন্য এগুলো থেকে আমরা একটি সবজি ধরে নেই। যেমন ব্রকোলি। এই সবজিটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও এমন সব উদ্ভিজ্জ উপাদানে ভরপুর, যা চোখ ও হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ আছে। ব্রকোলি প্রচুর আঁশ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, আয়রন ও পটাশিয়ামের ভালো উৎস। গবেষণায় দেখা গেছে, কাঁচা ব্রকোলির প্রায় ৯০% অংশ পানি, ৭% কার্বোহাইড্রেট, ৩% প্রোটিন এবং এতে ফ্যাটের পরিমাণ প্রায় নেই বললেই চলে। এত গুণ থাকা সত্ত্বেও এর একমাত্র বড় সীমাবদ্ধতা হলো এর স্বাদ—আর কিছু শিশুর ক্ষেত্রে এর টেক্সচারও সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। সত্যি বলতে, অনেক সবজির ক্ষেত্রেই এমনটা  ঘটে। তাই বাবা–মায়েরা প্রায়ই নানা কৌশল অবলম্বন করেন—যেমন কিমার মধ্যে সবজি মিশিয়ে কোফতা বানানো, কিংবা সবজিকে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মতো রূপ দিয়ে প্রিয় খাবারের সঙ্গে পরিবেশন করা। কিন্তু দেখা যায়, বাচ্চারা খুব তাড়াতাড়িই এসব কৌশল ধরে ফেলতে পারে।

এই চ্যালেঞ্জকে সহজভাবে মোকাবিলা করতে অর্গানিক নিউট্রিশন লিমিটেড বের করেছে এক অভিনব সমাধান। তাদের ভাবনা ছিল: ‘শিশুরা যা খেতে ভালোবাসে, তাতেই নাহয় গুঁজে দেই তাদের প্রকৃত প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো?’ এই চিন্তা থেকেই জন্ম নিয়েছে কারকুমা ভেজস্প্রেড—একটি সুস্বাদু চকলেট স্প্রেড, যা গাজর, ব্রকোলি, পালং শাক, হ্যাজেলনাট, মালবেরি এবং আরও নানা প্রয়োজনীয় উপাদানে সমৃদ্ধ।

মাত্র এক চামচ ভেজস্প্রেডে থাকে প্রায় ৩০ গ্রাম সবজি। অর্থাৎ দিনে ৪–৫ চামচ ভেজস্প্রেড খেলেই শিশুদের বাড়ন্ত শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর বড় একটি অংশ পাওয়া সম্ভব—তাও আবার কোনও ঝামেলা বা টানাপোড়েন ছাড়াই।

এতেই শেষ নয়—এতে ব্যবহৃত হয়েছে ব্রাউন সুগার, যা সাধারণ সাদা চিনির তুলনায় তুলনামূলকভাবে ভালো বিকল্প এবং এটি সম্পূর্ণ নন-জিএমও উপাদানে তৈরি। কোকোবিনের ফ্লেভারে সবজির স্বাদ ও টেক্সচারকে এমনভাবে আড়াল করা হয়েছে যে শিশুদের কাছে এটি কেবলই চকলেটি একটি স্প্রেড হিসেবে ধরা দেয়। সবচেয়ে সুবিধাজনক বিষয় হলো, এতে কোনও ঝামেলা নেই—না সবজি কাটাকাটি, না ব্লেন্ড করা, না গোপন রেসিপি ভেবে বের করার চাপ। শুধু রুটি বা পাউরুটির ওপর মেখে দেওয়া যায়, কিংবা প্রয়োজন হলে স্রেফ কয়েক চামচ হিসেবেও খাওয়ানো সম্ভব।

ফলে একদিকে শিশুরা তাদের প্রিয় স্বাদের নাশতা উপভোগ করতে পারে, অন্যদিকে মায়েরা নিশ্চিন্ত থাকেন এই ভেবে যে, সন্তান আসলে এমন কিছুই খাচ্ছে যা তার শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য সত্যিকারের উপকারী।