ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি ও যুদ্ধবিরতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ। এই কূটনৈতিক তৎপরতাকে ঘিরে শহরজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে পাকিস্তান সরকার এই আলোচনা নিয়ে বেশ আশাবাদী। তারা জানিয়েছে, উভয় পক্ষের সঙ্গেই সুসম্পর্ক থাকায় তারা একটি কার্যকর সমাধান আনতে সক্ষম হবে।
মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আলোচনার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। তবে তিনি ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, তেহরান যদি আন্তরিকতার সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেয় তবেই যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতার হাত বাড়াবে। অন্যদিকে, ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান সংঘাত এই আলোচনার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান স্পষ্ট জানিয়েছেন, লেবাননে হামলা অব্যাহত থাকলে আলোচনার কোনো সার্থকতা থাকবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ট্রাম্পের মতে, ইরান আগের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে না। এছাড়া আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে সরাসরি আলোচনার সম্ভাবনাও রয়েছে, যা এই পুরো প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 



















