ঢাকা ০১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

ইসলামাবাদে বরফ গলছে: প্রথমবারের মতো সরাসরি বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে অবশেষে সরাসরি আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই দেশের প্রতিনিধিরা একই টেবিলে বসে কথা বলছেন, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে একটি বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে উভয় পক্ষ পরোক্ষভাবে বার্তা আদান-প্রদান করলেও এবারই প্রথম সরাসরি মুখোমুখি হলো তারা।

শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ প্রথমে ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল এবং পরে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন দলের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। মার্কিন প্রতিনিধি দলে বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি আলোচনার এই উদ্যোগ সম্ভাব্য সমঝোতার পথ সুগম করতে পারে। তবে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের চরম অবিশ্বাস ও সংশয় এখনো কাটেনি। ইরান যেখানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাইছে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র চাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সামরিক প্রভাব নিয়ন্ত্রণ ও নৌ-পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এই অবিশ্বাসের পরিবেশেও আলোচনার টেবিলে বসার সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছে বিশ্ব সম্প্রদায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হিজবুল্লাহর আর্থিক নেটওয়ার্কে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর কঠোর নিষেধাজ্ঞা

ইসলামাবাদে বরফ গলছে: প্রথমবারের মতো সরাসরি বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

আপডেট সময় : ০৮:৩৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে অবশেষে সরাসরি আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই দেশের প্রতিনিধিরা একই টেবিলে বসে কথা বলছেন, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে একটি বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে উভয় পক্ষ পরোক্ষভাবে বার্তা আদান-প্রদান করলেও এবারই প্রথম সরাসরি মুখোমুখি হলো তারা।

শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ প্রথমে ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল এবং পরে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন দলের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। মার্কিন প্রতিনিধি দলে বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি আলোচনার এই উদ্যোগ সম্ভাব্য সমঝোতার পথ সুগম করতে পারে। তবে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের চরম অবিশ্বাস ও সংশয় এখনো কাটেনি। ইরান যেখানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাইছে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র চাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সামরিক প্রভাব নিয়ন্ত্রণ ও নৌ-পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এই অবিশ্বাসের পরিবেশেও আলোচনার টেবিলে বসার সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছে বিশ্ব সম্প্রদায়।