ঢাকা ১২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

কারিগরি শিক্ষাই জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে কারিগরি শিক্ষা কোনো বিকল্প ধারা নয়, বরং এটিই আমাদের জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান হাতিয়ার। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি জাপান ও জার্মানির উদাহরণ টেনে বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু সার্টিফিকেট প্রদান নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা।

শনিবার রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন’-এর আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘এএসএসইটি’ প্রকল্পের আওতায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে রাজশাহী অঞ্চলের ২৮টি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয় এবং ৮৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শন করে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, যুবসমাজকে প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষ করে তোলা বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার। এই ধরনের প্রতিযোগিতা তরুণদের সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। প্রদর্শিত প্রকল্পগুলোর মধ্য থেকে সেরা ৬টি উদ্ভাবনকে আগামী ১৭ মে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া। রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী। বক্তারা দেশের প্রান্তিক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কারিগরি শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিলে সংসদের সিলমোহর: রাজপথে নয়, লড়াই এবার উচ্চ আদালতে?

কারিগরি শিক্ষাই জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:১১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে কারিগরি শিক্ষা কোনো বিকল্প ধারা নয়, বরং এটিই আমাদের জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান হাতিয়ার। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি জাপান ও জার্মানির উদাহরণ টেনে বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু সার্টিফিকেট প্রদান নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা।

শনিবার রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন’-এর আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘এএসএসইটি’ প্রকল্পের আওতায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে রাজশাহী অঞ্চলের ২৮টি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয় এবং ৮৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শন করে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, যুবসমাজকে প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষ করে তোলা বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার। এই ধরনের প্রতিযোগিতা তরুণদের সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। প্রদর্শিত প্রকল্পগুলোর মধ্য থেকে সেরা ৬টি উদ্ভাবনকে আগামী ১৭ মে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া। রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী। বক্তারা দেশের প্রান্তিক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কারিগরি শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।