ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

শ্রমিকের সন্তানদের সুশিক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, শ্রমিকের সন্তানদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব রাষ্ট্রকেই নিতে হবে। তিনি বলেন, শুধু বিত্তবানদের সন্তানরাই বড় পদে যাবে এমন নীতিতে আমরা বিশ্বাস করি না। শ্রমিকের সন্তানরাও যেন একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে। শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শ্রমিকেরা দেশের উন্নয়ন ও ভোটাধিকারের অংশীদার। তাই তাদের সকল দাবি ও অধিকারের দায় কেবল মালিকদের ওপর চাপিয়ে দিলে চলবে না। শ্রমঘন এলাকায় বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ এবং চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনে রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের বড় একটি অংশই ছিলেন শ্রমিক, যা তাদের দেশপ্রেমের পরিচয় দেয়।

মালিক ও শ্রমিকের সুসম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, মালিক ছাড়া শ্রমিক এবং শ্রমিক ছাড়া শিল্প টিকে থাকা সম্ভব নয়। উভয়ের মধ্যে সমন্বিত সম্পর্ক বজায় থাকলেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। সম্মেলনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাম্পে তেল নেই, জমিতে পানি নেই: রংপুরের বোরো ক্ষেত ফেটে চৌচির, দিশেহারা কৃষক

শ্রমিকের সন্তানদের সুশিক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট সময় : ০৪:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, শ্রমিকের সন্তানদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব রাষ্ট্রকেই নিতে হবে। তিনি বলেন, শুধু বিত্তবানদের সন্তানরাই বড় পদে যাবে এমন নীতিতে আমরা বিশ্বাস করি না। শ্রমিকের সন্তানরাও যেন একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে। শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শ্রমিকেরা দেশের উন্নয়ন ও ভোটাধিকারের অংশীদার। তাই তাদের সকল দাবি ও অধিকারের দায় কেবল মালিকদের ওপর চাপিয়ে দিলে চলবে না। শ্রমঘন এলাকায় বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ এবং চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনে রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের বড় একটি অংশই ছিলেন শ্রমিক, যা তাদের দেশপ্রেমের পরিচয় দেয়।

মালিক ও শ্রমিকের সুসম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, মালিক ছাড়া শ্রমিক এবং শ্রমিক ছাড়া শিল্প টিকে থাকা সম্ভব নয়। উভয়ের মধ্যে সমন্বিত সম্পর্ক বজায় থাকলেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। সম্মেলনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করেন।