ঢাকা ১২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

সংরক্ষিত নারী আসন: যেভাবে নির্ধারিত হয় নারী সংসদ সদস্যদের ভাগ্য

বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থায় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি মূলত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত সাধারণ আসনের সংখ্যানুপাতিক হারের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। ২০০৪ সালের সংরক্ষিত মহিলা আসন নির্বাচন আইন অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে দলগত বা জোটগতভাবে প্রাপ্ত আসনের আনুপাতিক হারে এই ৫০টি সংরক্ষিত আসন বণ্টন করা হয়। সাধারণত প্রতি ছয়টি সাধারণ আসনের বিপরীতে একটি করে সংরক্ষিত নারী আসন বরাদ্দ থাকে।

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২৯৭টি আসনের মধ্যে ২১২টিতে জয়লাভ করেছে। এই হিসেবে আনুপাতিক হারে বিএনপি জোট অন্তত ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে যাচ্ছে। বাকি তিনটি আসনের ফলাফল চূড়ান্ত হলে এই সংখ্যা আরও একটি বাড়তে পারে। অন্যদিকে, অন্যান্য দলগুলোও তাদের প্রাপ্ত আসনের সংখ্যানুপাতে নির্দিষ্ট সংখ্যক নারী সদস্য মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ পাবে।

নির্বাচন কমিশন এই সংরক্ষিত আসনগুলোর জন্য পৃথক তফসিল ঘোষণা করে। যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রে দলগুলো তাদের নির্ধারিত আসনে একক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়, ফলে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয় না এবং মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হলেই তাদের বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। তবে কোনো দল চাইলে একাধিক প্রার্থী দিতে পারে, সে ক্ষেত্রে ওই দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটে সংরক্ষিত আসনের এমপি নির্বাচিত হন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিলে সংসদের সিলমোহর: রাজপথে নয়, লড়াই এবার উচ্চ আদালতে?

সংরক্ষিত নারী আসন: যেভাবে নির্ধারিত হয় নারী সংসদ সদস্যদের ভাগ্য

আপডেট সময় : ০৪:৫২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থায় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি মূলত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত সাধারণ আসনের সংখ্যানুপাতিক হারের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। ২০০৪ সালের সংরক্ষিত মহিলা আসন নির্বাচন আইন অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে দলগত বা জোটগতভাবে প্রাপ্ত আসনের আনুপাতিক হারে এই ৫০টি সংরক্ষিত আসন বণ্টন করা হয়। সাধারণত প্রতি ছয়টি সাধারণ আসনের বিপরীতে একটি করে সংরক্ষিত নারী আসন বরাদ্দ থাকে।

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২৯৭টি আসনের মধ্যে ২১২টিতে জয়লাভ করেছে। এই হিসেবে আনুপাতিক হারে বিএনপি জোট অন্তত ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে যাচ্ছে। বাকি তিনটি আসনের ফলাফল চূড়ান্ত হলে এই সংখ্যা আরও একটি বাড়তে পারে। অন্যদিকে, অন্যান্য দলগুলোও তাদের প্রাপ্ত আসনের সংখ্যানুপাতে নির্দিষ্ট সংখ্যক নারী সদস্য মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ পাবে।

নির্বাচন কমিশন এই সংরক্ষিত আসনগুলোর জন্য পৃথক তফসিল ঘোষণা করে। যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রে দলগুলো তাদের নির্ধারিত আসনে একক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়, ফলে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয় না এবং মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হলেই তাদের বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। তবে কোনো দল চাইলে একাধিক প্রার্থী দিতে পারে, সে ক্ষেত্রে ওই দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটে সংরক্ষিত আসনের এমপি নির্বাচিত হন।