ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

জবিতে শিক্ষক নিয়োগে আমূল পরিবর্তন আসছে: উপাচার্য ড. রইছ উদ্দীন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একাডেমিক স্থবিরতা কাটিয়ে সেশনজট নিরসন ও আবাসন সমস্যা সমাধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিকল্পনা ও সংস্কার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি একটি আধুনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থবিরতা কাটিয়ে তুলতে সব বিভাগের ডিন ও চেয়ারম্যানদের সাথে সমন্বয় করে কাজ শুরু হয়েছে।

শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে উপাচার্য জানান, এখন থেকে শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক হওয়া যাবে না। স্বচ্ছতা ও মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে চারটি ধাপ অনুসরণ করা হবে। প্রার্থীদের প্রথমে প্রিলিমিনারি ও পরে লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে। এরপর ডেমো ক্লাসের মাধ্যমে তাদের পাঠদান দক্ষতা যাচাই করা হবে এবং সবশেষে ভাইভা অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্যতম ব্যক্তিরাই শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাবেন বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও রাজনীতি প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন বলেন, ক্যাম্পাসকে কোনো বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর আখড়া হতে দেওয়া হবে না। যারা অতীতে অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বা কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আদর্শিক ভিন্নতার কারণে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকেও কড়া নজর রাখা হবে বলে তিনি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি: গভীর সংকটের মুখে কূটনৈতিক তৎপরতা

জবিতে শিক্ষক নিয়োগে আমূল পরিবর্তন আসছে: উপাচার্য ড. রইছ উদ্দীন

আপডেট সময় : ১১:১৪:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একাডেমিক স্থবিরতা কাটিয়ে সেশনজট নিরসন ও আবাসন সমস্যা সমাধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিকল্পনা ও সংস্কার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি একটি আধুনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থবিরতা কাটিয়ে তুলতে সব বিভাগের ডিন ও চেয়ারম্যানদের সাথে সমন্বয় করে কাজ শুরু হয়েছে।

শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে উপাচার্য জানান, এখন থেকে শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক হওয়া যাবে না। স্বচ্ছতা ও মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে চারটি ধাপ অনুসরণ করা হবে। প্রার্থীদের প্রথমে প্রিলিমিনারি ও পরে লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে। এরপর ডেমো ক্লাসের মাধ্যমে তাদের পাঠদান দক্ষতা যাচাই করা হবে এবং সবশেষে ভাইভা অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্যতম ব্যক্তিরাই শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাবেন বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও রাজনীতি প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন বলেন, ক্যাম্পাসকে কোনো বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর আখড়া হতে দেওয়া হবে না। যারা অতীতে অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বা কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আদর্শিক ভিন্নতার কারণে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকেও কড়া নজর রাখা হবে বলে তিনি জানান।