ঢাকা ০১:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় পাকিস্তান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে এবং একটি স্থায়ী সমঝোতা নিশ্চিত করতে পাকিস্তান তার কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত রিজওয়ান সাঈদ শেখ জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনার পরিবেশ তৈরি হওয়াই একটি বড় সাফল্য। এই শান্তি প্রক্রিয়াকে সফল করতে পাকিস্তান প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত শেখ বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা কোনো জাদুকরী বিষয় ছিল না, বরং এটি ছিল একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং নিবিড় কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার ফল। এই লক্ষ্য অর্জনে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তান অত্যন্ত ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং আলোচনার সময়সূচি নির্ধারণে পাকিস্তানের গঠনমূলক ভূমিকাকে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষই ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। দুই দেশের মধ্যে বৈরিতা কমিয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই এখন ইসলামাবাদের মূল লক্ষ্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যাত্রাবাড়ীতে চলন্ত গাড়িতে ছিনতাই: দেশীয় অস্ত্রসহ দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় পাকিস্তান

আপডেট সময় : ০৪:৫১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে এবং একটি স্থায়ী সমঝোতা নিশ্চিত করতে পাকিস্তান তার কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত রিজওয়ান সাঈদ শেখ জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনার পরিবেশ তৈরি হওয়াই একটি বড় সাফল্য। এই শান্তি প্রক্রিয়াকে সফল করতে পাকিস্তান প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত শেখ বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা কোনো জাদুকরী বিষয় ছিল না, বরং এটি ছিল একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং নিবিড় কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার ফল। এই লক্ষ্য অর্জনে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তান অত্যন্ত ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং আলোচনার সময়সূচি নির্ধারণে পাকিস্তানের গঠনমূলক ভূমিকাকে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষই ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। দুই দেশের মধ্যে বৈরিতা কমিয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই এখন ইসলামাবাদের মূল লক্ষ্য।