ঢাকা ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি তেল না পেয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ, জনভোগান্তি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

জ্বালানি তেল না পেয়ে ক্ষুব্ধ বাইকাররা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জের মান্দাতলা এলাকায় অবরোধ করে। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরোধ তুলে দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

জানা গেছে, গোপালগঞ্জ পৌর এলাকার ৭টি ফিলিং স্টেশনে বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই তেল দেওয়া বন্ধ রাখা হয়। ভোর থেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তেলের জন্য অপেক্ষা করেও বাইকাররা তেল না পেয়ে বেলা পৌনে তিনটার দিকে মান্দারতলা এলাকায় নিগি ফিলিং স্টেশনের সামনে গাছের গুঁড়ি ফেলে মহাসড়ক অবরোধ করে। এর ফলে মহাসড়কে প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়, যা সাধারণ যাত্রীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়। অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরোধকারীদের বুঝিয়ে এবং গাছের গুঁড়ি সরিয়ে এক ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে দেয়। এতে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এ সময় জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আহমেদ এবং ফারদিন খান প্রিন্স ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে তেল সরবরাহ কার্যক্রম তদারকি করেন। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে জ্বালানি সরবরাহ শুরু হলে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

অবরোধকারী বাইকাররা অভিযোগ করেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল থাকা সত্ত্বেও তাদের তেল দেওয়া হচ্ছে না। ভোর থেকে অপেক্ষা করেও তেল না পাওয়ায় তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরিসহ দৈনন্দিন জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে, নিগি ফিলিং স্টেশনের মালিক মফিজুর রহমান লফিজ অভিযোগ করেন, গভীর রাত পর্যন্ত তেল দিতে গিয়ে পাম্পের কর্মচারীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে এবং অনেকে চাকরি ছেড়ে দিচ্ছে। এ কারণে তেল বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক রেজাউল করিম জানান, তেলের দাবিতে বাইকাররা ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যায়। পরে তাদের বুঝিয়ে এবং মহাসড়ক থেকে গাছের গুঁড়ি সরিয়ে অবরোধ তুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে মহাসড়ক দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জেদ্দায় সৌদি যুবরাজ ও শাহবাজ শরিফের বৈঠক: গুরুত্ব পেল আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা

জ্বালানি তেল না পেয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ, জনভোগান্তি

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি তেল না পেয়ে ক্ষুব্ধ বাইকাররা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জের মান্দাতলা এলাকায় অবরোধ করে। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরোধ তুলে দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

জানা গেছে, গোপালগঞ্জ পৌর এলাকার ৭টি ফিলিং স্টেশনে বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই তেল দেওয়া বন্ধ রাখা হয়। ভোর থেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তেলের জন্য অপেক্ষা করেও বাইকাররা তেল না পেয়ে বেলা পৌনে তিনটার দিকে মান্দারতলা এলাকায় নিগি ফিলিং স্টেশনের সামনে গাছের গুঁড়ি ফেলে মহাসড়ক অবরোধ করে। এর ফলে মহাসড়কে প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়, যা সাধারণ যাত্রীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়। অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরোধকারীদের বুঝিয়ে এবং গাছের গুঁড়ি সরিয়ে এক ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে দেয়। এতে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এ সময় জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আহমেদ এবং ফারদিন খান প্রিন্স ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে তেল সরবরাহ কার্যক্রম তদারকি করেন। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে জ্বালানি সরবরাহ শুরু হলে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

অবরোধকারী বাইকাররা অভিযোগ করেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল থাকা সত্ত্বেও তাদের তেল দেওয়া হচ্ছে না। ভোর থেকে অপেক্ষা করেও তেল না পাওয়ায় তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরিসহ দৈনন্দিন জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে, নিগি ফিলিং স্টেশনের মালিক মফিজুর রহমান লফিজ অভিযোগ করেন, গভীর রাত পর্যন্ত তেল দিতে গিয়ে পাম্পের কর্মচারীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে এবং অনেকে চাকরি ছেড়ে দিচ্ছে। এ কারণে তেল বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক রেজাউল করিম জানান, তেলের দাবিতে বাইকাররা ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যায়। পরে তাদের বুঝিয়ে এবং মহাসড়ক থেকে গাছের গুঁড়ি সরিয়ে অবরোধ তুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে মহাসড়ক দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।