ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বেরোবি শিক্ষার্থী হত্যা: পলাতক দুই শিক্ষককে ১০ বছরের কারাদণ্ড

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে পলাতক সাবেক দুই শিক্ষককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে ছয়জন গ্রেপ্তার রয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। পলাতক ২৪ জনের মধ্যে রয়েছেন বেরোবির সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদ, সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান এবং আসাদুজ্জামান মণ্ডলসহ আরো অনেকে।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল জুলাই বিপ্লবের সময়, যখন শিক্ষার্থীরা রংপুর নগরীর লালবাগ এলাকা থেকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে বিক্ষোভ মিছিল করছিলেন। সেই সময় পুলিশের বাধার মুখে পড়েন শিক্ষার্থীরা। অভিযোগ রয়েছে, রংপুর মহানগর পুলিশের (আরপিএমপি) সাবেক সহকারী কমিশনার আরিফুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের সদস্যরা লাঠি দিয়ে আবু সাঈদের মাথায় আঘাত করেন, যার ফলে তার মাথা থেকে রক্ত ঝরতে শুরু করে। পরবর্তীতে এএসআই আমির হোসেন আবু সাঈদকে গুলি করেন। এরপর কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় তাকে পরপর দুটি গুলি করেন। এই হামলায় আবু সাঈদ গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাওহিদুর হকের শরীরেও প্রায় ৬০টি ছররা গুলি লাগে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইরানকে দমানোর সক্ষমতা নিয়ে ভুল ধারণা পোষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র’

বেরোবি শিক্ষার্থী হত্যা: পলাতক দুই শিক্ষককে ১০ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০১:৫১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে পলাতক সাবেক দুই শিক্ষককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে ছয়জন গ্রেপ্তার রয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। পলাতক ২৪ জনের মধ্যে রয়েছেন বেরোবির সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদ, সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান এবং আসাদুজ্জামান মণ্ডলসহ আরো অনেকে।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল জুলাই বিপ্লবের সময়, যখন শিক্ষার্থীরা রংপুর নগরীর লালবাগ এলাকা থেকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে বিক্ষোভ মিছিল করছিলেন। সেই সময় পুলিশের বাধার মুখে পড়েন শিক্ষার্থীরা। অভিযোগ রয়েছে, রংপুর মহানগর পুলিশের (আরপিএমপি) সাবেক সহকারী কমিশনার আরিফুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের সদস্যরা লাঠি দিয়ে আবু সাঈদের মাথায় আঘাত করেন, যার ফলে তার মাথা থেকে রক্ত ঝরতে শুরু করে। পরবর্তীতে এএসআই আমির হোসেন আবু সাঈদকে গুলি করেন। এরপর কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় তাকে পরপর দুটি গুলি করেন। এই হামলায় আবু সাঈদ গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাওহিদুর হকের শরীরেও প্রায় ৬০টি ছররা গুলি লাগে।