জাতীয় জ্বালানি নীতি অনুযায়ী দেশে অন্তত ৬০ দিনের জ্বালানি তেলের মজুত রাখার বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানছে না বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। বর্তমানে পর্যাপ্ত সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সংস্থাটির এমন উদাসীনতায় মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার শুরুতেই দেশে তেলের সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সূত্র মতে, ২০০৪ সালে গৃহীত ন্যাশনাল এনার্জি পলিসিতে আপৎকালীন ব্যবহারের জন্য ৬০ দিনের ‘কৌশলগত মজুত’ রাখার নিয়ম করা হয়। ২০২০ সালে বিপিসি এই পরিমাণ তেল মজুত করার সক্ষমতা অর্জন করলেও বাস্তবে তা কার্যকর করেনি। বর্তমানে সব ডিপো মিলিয়ে প্রায় ১৫ লাখ ৮১ হাজার মেট্রিকটন তেল মজুত করা সম্ভব, যা দিয়ে অনায়াসেই তিন মাসের চাহিদা মেটানো যায়। কিন্তু বিপিসি সবসময় ২৫ থেকে ৩০ দিনের মজুত নিয়েই সন্তুষ্ট থাকছে।
বর্তমানে ইস্টার্ন রিফাইনারি, পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানিসহ বিভিন্ন স্টোরেজে বিপুল পরিমাণ তেল রাখার জায়গা রয়েছে। এছাড়া মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) প্রকল্প যুক্ত হওয়ায় মজুত ক্ষমতা আরও বেড়েছে। দেশে দৈনিক গড়ে ১৫ হাজার টন জ্বালানি তেলের চাহিদা থাকলেও বিপিসির অদূরদর্শিতার কারণে বৈশ্বিক সংকটের মুহূর্তে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
রিপোর্টারের নাম 
























