ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

তারেক রহমান ও কোকোকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি সংসদ সদস্যের

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের কথা উল্লেখ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পূর্ণাঙ্গ বীর মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন তিনি।

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান এই দাবিগুলো উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে দীর্ঘ নয় মাস বন্দি থেকেও এই পরিবার যে অসীম ধৈর্য ও দেশপ্রেম দেখিয়েছে, তা ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত।

বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে খালেদা জিয়া তার দুই সন্তানসহ পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি ছিলেন। তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো সেই অবর্ণনীয় কষ্টের দিনগুলো মায়ের সঙ্গে বন্দিশালায় অতিবাহিত করেছেন। এটি কোনো রাজনৈতিক চাটুকারিতা নয়, বরং ঐতিহাসিক সত্য। তাই তাদের অবদানের যথাযথ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও স্বীকৃতি দেওয়া এখন সময়ের দাবি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পহেলা বৈশাখে মেট্রোরেলের শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বন্ধ থাকছে

তারেক রহমান ও কোকোকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি সংসদ সদস্যের

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের কথা উল্লেখ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পূর্ণাঙ্গ বীর মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন তিনি।

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান এই দাবিগুলো উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে দীর্ঘ নয় মাস বন্দি থেকেও এই পরিবার যে অসীম ধৈর্য ও দেশপ্রেম দেখিয়েছে, তা ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত।

বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে খালেদা জিয়া তার দুই সন্তানসহ পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি ছিলেন। তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো সেই অবর্ণনীয় কষ্টের দিনগুলো মায়ের সঙ্গে বন্দিশালায় অতিবাহিত করেছেন। এটি কোনো রাজনৈতিক চাটুকারিতা নয়, বরং ঐতিহাসিক সত্য। তাই তাদের অবদানের যথাযথ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও স্বীকৃতি দেওয়া এখন সময়ের দাবি বলে তিনি মন্তব্য করেন।