ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

ইরানকে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলোর ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে সামরিক ও অস্ত্র সহযোগিতা বজায় রাখা দেশগুলোর বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যেসব দেশ ইরানকে সামরিক সরঞ্জাম বা অস্ত্র সরবরাহ করবে, যুক্তরাষ্ট্রে তাদের রপ্তানি করা সমস্ত পণ্যের ওপর অবিলম্বে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ব্যতিক্রম বা ছাড় দেওয়া হবে না এবং এটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হবে। ট্রাম্পের এই ঘোষণা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি করতে এবং তেহরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল করতেই ট্রাম্প এই কৌশল গ্রহণ করেছেন। বিশেষ করে যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বড় ধরনের বাণিজ্য সুবিধা ভোগ করে, তাদের জন্য এই সিদ্ধান্ত বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানকে হারিয়ে স্বস্তিতে আনচেলত্তি: ‘ধৈর্য হারাইনি, এটাই পরিপূর্ণ পারফরম্যান্স’

ইরানকে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলোর ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সঙ্গে সামরিক ও অস্ত্র সহযোগিতা বজায় রাখা দেশগুলোর বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যেসব দেশ ইরানকে সামরিক সরঞ্জাম বা অস্ত্র সরবরাহ করবে, যুক্তরাষ্ট্রে তাদের রপ্তানি করা সমস্ত পণ্যের ওপর অবিলম্বে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ব্যতিক্রম বা ছাড় দেওয়া হবে না এবং এটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হবে। ট্রাম্পের এই ঘোষণা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি করতে এবং তেহরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল করতেই ট্রাম্প এই কৌশল গ্রহণ করেছেন। বিশেষ করে যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বড় ধরনের বাণিজ্য সুবিধা ভোগ করে, তাদের জন্য এই সিদ্ধান্ত বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।