দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণে বড় এক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। ভোলা-বরিশাল এবং শরীয়তপুর-চাঁদপুর রুটে মেঘনা, তেঁতুলিয়া ও কালাবাঁদর নদীর ওপর বিশাল সেতু নির্মাণের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটি। বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, ভোলা-বরিশাল সেতুটি প্রায় ১০.৮৬ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে এবং এটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে বাস্তবায়িত হবে। এই প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা। সেতুটি চালু হলে ভোলার সঙ্গে দেশের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে, যা ২০৩৩ সাল নাগাদ দৈনিক প্রায় ৫ হাজার যানবাহন চলাচলের সুযোগ করে দেবে। এছাড়া শরীয়তপুর-চাঁদপুর রুটে ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ আরেকটি সেতু নির্মাণ করা হবে, যা দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের ৩০টি জেলার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই মেগা প্রকল্পগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের যাবতীয় ব্যয় সরকারি তহবিল থেকে মেটানো হবে। এই সেতুগুলো নির্মিত হলে দেশের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং পণ্য পরিবহনে সময় ও খরচ অনেকাংশে কমে যাবে। সভায় এছাড়া জ্বালানি তেল ক্রয় এবং ইউনিসেফের মাধ্যমে ভ্যাকসিন সংগ্রহের একাধিক প্রস্তাবেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























