দেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সম্পদ সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গত দেড় বছরে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে এই অঞ্চলের কুখ্যাত ডাকাত দলের মোট ৬১ জন সদস্যকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, আটককৃতদের মধ্যে করিম-শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ ও আসাবুর বাহিনীর সদস্যরা উল্লেখযোগ্য। দস্যুতার মতো অপরাধ দমনে কোস্ট গার্ড নিয়মিতভাবে যৌথ অভিযানের পাশাপাশি গোপন সংবাদের ভিত্তিতেও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।
এই সকল অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ৮০টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৯৯ রাউন্ড তাজা গুলি, ৩০৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি এবং ১ হাজার ৯৫০ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি। এছাড়াও, দস্যুদের হাত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৭৮ জন জেলে এবং ৩ জন পর্যটককে।
সুন্দরবনের অভ্যন্তরে এবং এর পার্শ্ববর্তী নদী ও খালগুলোতে টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি ডাকাত আস্তানা শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে এবং এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় জনগণ ও বননির্ভর মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। কোস্ট গার্ডের নেভিগেটিং কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট সাকিব ইমরান জানিয়েছেন, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত না করা পর্যন্ত এই ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
রিপোর্টারের নাম 
























