ঢাকা ০১:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে অচলাবস্থা, জানাল এএক্সএস মেরিন

বৈশ্বিক জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী শিপিং সফটওয়্যার কোম্পানি এএক্সএস মেরিনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির দুই পাশে মোট ১ হাজার ৪৪১টি জাহাজ আটকা পড়েছে। এর মধ্যে ৯৫৯টি জাহাজ উপসাগরের ভেতরে এবং ৬২১টি জাহাজ পূর্ব পাশে অপেক্ষা করছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কোনো এলএনজি বহনকারী জাহাজ এই প্রণালি অতিক্রম করেনি। সম্ভাব্য হামলা থেকে বাঁচতে অনেক জাহাজ যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ রেখে প্রণালির দুই পাশে অবস্থান নিয়েছে।

গত ৬ এপ্রিল পর্যন্ত দুই সপ্তাহে মাত্র ৫১টি ট্যাংকার এই প্রণালি অতিক্রম করেছে, যার মধ্যে ১৫টি অপরিশোধিত জ্বালানি তেলবাহী এবং ৯টি রাসায়নিক বহনকারী। যুদ্ধের আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ৫১টি জাহাজ চলাচল করত, সেখানে এই সংখ্যা নগণ্য।

যুদ্ধবিরতির আগে ইরান ঘোষণা দিয়েছিল যে চীন, রাশিয়া, ভারত, ইরাক ও পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের জাহাজ এই প্রণালি পার হতে পারবে। কূটনৈতিক আলোচনার পর মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং ফিলিপাইনের জাহাজকেও অনুমতি দেওয়া হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগীদের বিনামূল্যে ইনসুলিন দেওয়ার দাবি অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খানের

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে অচলাবস্থা, জানাল এএক্সএস মেরিন

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

বৈশ্বিক জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী শিপিং সফটওয়্যার কোম্পানি এএক্সএস মেরিনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির দুই পাশে মোট ১ হাজার ৪৪১টি জাহাজ আটকা পড়েছে। এর মধ্যে ৯৫৯টি জাহাজ উপসাগরের ভেতরে এবং ৬২১টি জাহাজ পূর্ব পাশে অপেক্ষা করছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কোনো এলএনজি বহনকারী জাহাজ এই প্রণালি অতিক্রম করেনি। সম্ভাব্য হামলা থেকে বাঁচতে অনেক জাহাজ যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ রেখে প্রণালির দুই পাশে অবস্থান নিয়েছে।

গত ৬ এপ্রিল পর্যন্ত দুই সপ্তাহে মাত্র ৫১টি ট্যাংকার এই প্রণালি অতিক্রম করেছে, যার মধ্যে ১৫টি অপরিশোধিত জ্বালানি তেলবাহী এবং ৯টি রাসায়নিক বহনকারী। যুদ্ধের আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ৫১টি জাহাজ চলাচল করত, সেখানে এই সংখ্যা নগণ্য।

যুদ্ধবিরতির আগে ইরান ঘোষণা দিয়েছিল যে চীন, রাশিয়া, ভারত, ইরাক ও পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের জাহাজ এই প্রণালি পার হতে পারবে। কূটনৈতিক আলোচনার পর মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং ফিলিপাইনের জাহাজকেও অনুমতি দেওয়া হয়।