যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার লক্ষ্যে ১০ দফার একটি বিস্তারিত শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে তেহরান। এই পরিকল্পনায় ইরান কেবল তাদের ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি সম্পূর্ণ বন্ধের দাবি জানিয়েছে। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠেয় দ্বিপাক্ষিক আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স।
ইরানের প্রস্তাবিত এই ১০ দফা পরিকল্পনায় কৌশলগত ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো—ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এমন অঙ্গীকার, ইরানের ওপর থেকে সব ধরনের প্রাথমিক ও জাতিসংঘ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি পূরণে একটি বিশেষ আর্থিক তহবিল গঠন করা। এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের নির্ধারিত ‘সেফ প্যাসেজ প্রটোকল’ অনুসরণের শর্তও দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলো থেকে ইরানের ওপর কোনো ধরনের হামলা চালানো যাবে না এবং এই অঞ্চলের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অনাগ্রাসন নীতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকারকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। তেহরান চায় এই সমস্ত প্রতিশ্রুতি যেন জাতিসংঘের একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়। আগামী শুক্রবার ইসলামাবাদে এই প্রস্তাবগুলোর ভিত্তিতেই চূড়ান্ত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























