ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বাংলাদেশ ব্যাংক ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় নিয়োগের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে উচ্চ শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা নিয়োগ পেলেও বাংলাদেশে দলীয় পরিচয়ই নিয়োগের প্রধান মাপকাঠি হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন সরকার গঠনের পর বিএনপি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও সোয়েটার ফ্যাক্টরির এমডি-র মতো ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগেও প্রতিফলিত হয়েছে। দলীয় পরিচয় নয়, যোগ্যতাই নিয়োগের ভিত্তি হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি তাকে মনোনয়ন না দেওয়ায় তিনি জনগণের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সমর্থন উপলব্ধি করতে পেরেছেন। তিনি বিএনপিকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি বলেন, দলীয় গণ্ডির বাইরে গিয়ে নির্বাচন করায় তিনি লক্ষ মানুষের দোয়া ও সহযোগিতা পাশে পেয়েছেন, যা অন্যথায় সম্ভব হতো না।
তিনি ক্ষমতার ভারসাম্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন এবং বলেন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনার বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হলেও এবারও রাষ্ট্রপতিকে মন্ত্রিপরিষদ অনুমোদিত ভাষণই দিতে হয়েছে। এতে রাষ্ট্রপতির স্বাধীনভাবে ভাষণ দেওয়ার যেটুকু সুযোগ ছিল, তাও সীমিত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রুমিন ফারহানা তার নির্বাচনী এলাকার জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, তার অনেক কর্মী ভয়ভীতি ও দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরও তাকে সমর্থন জুগিয়েছেন। হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই সংসদ প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, কারা এই আত্মত্যাগ করেছেন এবং তাদের ত্যাগের ফলে কারা এমপি, মন্ত্রী বা বিরোধী দল হিসেবে সংসদে স্থান পেয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 




















