ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

রেকর্ড গড়ে চাঁদের কক্ষপথে আর্টেমিস-২: নভোচারীদের পরবর্তী লক্ষ্য সূর্যগ্রহণ

দীর্ঘ অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর চাঁদের দেশে মানুষের প্রত্যাবর্তনের মাহেন্দ্রক্ষণ ঘনিয়ে এসেছে। নাসার ঐতিহাসিক চন্দ্রাভিযান ‘আর্টেমিস-২’ মিশনে থাকা চার নভোচারী বর্তমানে চাঁদের অত্যন্ত কাছ দিয়ে পরিভ্রমণ করছেন। পৃথিবী থেকে মানুষের পাড়ি দেওয়া দূরত্বের সব রেকর্ড ভেঙে তারা এখন চাঁদের পৃষ্ঠ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ ও পর্যবেক্ষণ করছেন।

অভিযান চলাকালীন মহাকাশযানটি যখন চাঁদের উল্টো পাশে অবস্থান করছিল, তখন প্রায় ৪০ মিনিটের জন্য হিউস্টনের নাসা কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পুনরায় যোগাযোগ স্থাপিত হওয়ার পর নভোচারী ক্রিস্টিনা কোচ তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, পৃথিবীর মানুষের কণ্ঠস্বর আবারও শুনতে পাওয়া এক অসাধারণ অনুভূতি। এই মিশনে তারা পৃথিবী থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৬০ মাইল দূরত্বে পৌঁছাবেন, যা ১৯৭০ সালের অ্যাপোলো-১৩ মিশনের গড়া রেকর্ডের চেয়েও ৪ হাজার মাইল বেশি।

নভোচারীরা বর্তমানে চাঁদের পৃষ্ঠের এমন সব দুর্লভ দৃশ্য দেখছেন যা আগে কেবল রোবটের পাঠানো ছবিতে দেখা যেত। বিশেষ করে চাঁদের দিন ও রাতের সন্ধিস্থল তথা ‘টার্মিনেটর’ এলাকার এবড়োথেবড়ো ভূপ্রকৃতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন নভোচারী ভিক্টর গ্লোভার। চাঁদের চারপাশ প্রদক্ষিণ শেষে তাদের পরবর্তী লক্ষ্য মহাকাশ থেকে সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হওয়া। এই সফল পর্যবেক্ষণ অভিযান বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের জন্য মহাকাশ গবেষণায় নতুন এক দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিসিবির ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’: সাবেক ও বর্তমান অধিনায়কদের জন্য বিশেষ সম্মান ও চিকিৎসা সুবিধা

রেকর্ড গড়ে চাঁদের কক্ষপথে আর্টেমিস-২: নভোচারীদের পরবর্তী লক্ষ্য সূর্যগ্রহণ

আপডেট সময় : ০২:৩০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘ অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর চাঁদের দেশে মানুষের প্রত্যাবর্তনের মাহেন্দ্রক্ষণ ঘনিয়ে এসেছে। নাসার ঐতিহাসিক চন্দ্রাভিযান ‘আর্টেমিস-২’ মিশনে থাকা চার নভোচারী বর্তমানে চাঁদের অত্যন্ত কাছ দিয়ে পরিভ্রমণ করছেন। পৃথিবী থেকে মানুষের পাড়ি দেওয়া দূরত্বের সব রেকর্ড ভেঙে তারা এখন চাঁদের পৃষ্ঠ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ ও পর্যবেক্ষণ করছেন।

অভিযান চলাকালীন মহাকাশযানটি যখন চাঁদের উল্টো পাশে অবস্থান করছিল, তখন প্রায় ৪০ মিনিটের জন্য হিউস্টনের নাসা কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পুনরায় যোগাযোগ স্থাপিত হওয়ার পর নভোচারী ক্রিস্টিনা কোচ তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, পৃথিবীর মানুষের কণ্ঠস্বর আবারও শুনতে পাওয়া এক অসাধারণ অনুভূতি। এই মিশনে তারা পৃথিবী থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৬০ মাইল দূরত্বে পৌঁছাবেন, যা ১৯৭০ সালের অ্যাপোলো-১৩ মিশনের গড়া রেকর্ডের চেয়েও ৪ হাজার মাইল বেশি।

নভোচারীরা বর্তমানে চাঁদের পৃষ্ঠের এমন সব দুর্লভ দৃশ্য দেখছেন যা আগে কেবল রোবটের পাঠানো ছবিতে দেখা যেত। বিশেষ করে চাঁদের দিন ও রাতের সন্ধিস্থল তথা ‘টার্মিনেটর’ এলাকার এবড়োথেবড়ো ভূপ্রকৃতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন নভোচারী ভিক্টর গ্লোভার। চাঁদের চারপাশ প্রদক্ষিণ শেষে তাদের পরবর্তী লক্ষ্য মহাকাশ থেকে সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হওয়া। এই সফল পর্যবেক্ষণ অভিযান বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের জন্য মহাকাশ গবেষণায় নতুন এক দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা।