ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

নেত্রকোনায় মগড়া নদীর পাড় ও ফসলি জমির মাটি লুটের মহোৎসব

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় প্রভাবশালী একটি মহলের ছত্রছায়ায় মগড়া নদীর পাড় ও ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি (টপসয়েল) কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তাদের বারবার অবহিত করা হলেও এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের হাটশীরা বাজার সংলগ্ন এলাকায় গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রকাশ্যে বেকু দিয়ে মাটি কেটে ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বিক্রি করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, মাটি ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পায় না। এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালালে অসাধু ব্যবসায়ীরা কর্মকর্তাদের ওপর চড়াও হয়েছিল এবং সাংবাদিকদের গাড়ি ভাঙচুর করেছিল। এমন ভীতিকর পরিস্থিতির কারণে স্থানীয় ভূমি অফিসের কর্মীরাও অনেকটা নির্বিকার। অবাধে মাটি পরিবহনের ফলে গ্রামীণ রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং ধুলোবালিতে পরিবেশ দূষিত হয়ে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে প্রভাবশালী চক্রের এমন দৌরাত্ম্য বন্ধ করে কৃষি জমি ও পরিবেশ রক্ষায় স্থায়ী সমাধান চান ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর জোয়ারসাহারায় যাত্রা শুরু করল ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট

নেত্রকোনায় মগড়া নদীর পাড় ও ফসলি জমির মাটি লুটের মহোৎসব

আপডেট সময় : ০৬:৫৯:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় প্রভাবশালী একটি মহলের ছত্রছায়ায় মগড়া নদীর পাড় ও ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি (টপসয়েল) কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তাদের বারবার অবহিত করা হলেও এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের হাটশীরা বাজার সংলগ্ন এলাকায় গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রকাশ্যে বেকু দিয়ে মাটি কেটে ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বিক্রি করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, মাটি ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পায় না। এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালালে অসাধু ব্যবসায়ীরা কর্মকর্তাদের ওপর চড়াও হয়েছিল এবং সাংবাদিকদের গাড়ি ভাঙচুর করেছিল। এমন ভীতিকর পরিস্থিতির কারণে স্থানীয় ভূমি অফিসের কর্মীরাও অনেকটা নির্বিকার। অবাধে মাটি পরিবহনের ফলে গ্রামীণ রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং ধুলোবালিতে পরিবেশ দূষিত হয়ে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে প্রভাবশালী চক্রের এমন দৌরাত্ম্য বন্ধ করে কৃষি জমি ও পরিবেশ রক্ষায় স্থায়ী সমাধান চান ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।