ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতির চেয়ারম্যান এবং জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান। তিনি বলেন, সুস্থ থাকতে হলে মানুষকে নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম করতে হবে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। মুটিয়ে যাওয়া ডায়াবেটিসের অন্যতম প্রধান কারণ, তাই শারীরিক কর্মকাণ্ডের কোনো বিকল্প নেই।
শনিবার কুষ্টিয়া জেলা ডায়াবেটিস সমিতি প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কুষ্টিয়া জেলা ডায়াবেটিস সমিতির সদস্য এবং বাংলাদেশ হার্ট রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় নেত্রী নিলুফার খানম অ্যানির মৃত্যুতে এই সভার আয়োজন করা হয়। অধ্যাপক ডা. এস আর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও চিকিৎসকগণ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা প্রয়াত নিলুফার খানম অ্যানির সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্মৃতিচারণ করেন এবং ডায়াবেটিস সচেতনতা বৃদ্ধিতে তার অবদানের কথা তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬২ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। স্মরণসভায় বক্তারা তৃণমূল পর্যায়ে ডায়াবেটিস সেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























