ঢাকা ০৯:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার আশ্বাস দিলেন গভর্নর

ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই-এর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে এই তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে এফবিসিসিআই মহাসচিব মো. আলমগীরসহ অন্যান্য ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবসায়ী নেতারা জানান, একসময় ইডিএফ তহবিলের আকার ৭ বিলিয়ন ডলার থাকলেও বর্তমানে তা কমে ২.২০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। রপ্তানি কার্যক্রম গতিশীল রাখতে এই তহবিল বাড়ানোর দাবি জানানো হলে গভর্নর ধাপে ধাপে তা ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন। বিকেএমইএ-এর পক্ষ থেকে এই তহবিল ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধির প্রস্তাবও করা হয়েছে।

বৈঠকে সুদের হার স্থিতিশীল রাখা এবং তা পর্যায়ক্রমে এক অঙ্কে নামিয়ে আনার ওপর জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ বাড়াতে সরকারি ঋণের চাপ কমানোর সুপারিশ করেন ব্যবসায়ীরা। ঋণ খেলাপি হওয়ার সময়সীমা ৩ মাস থেকে বাড়িয়ে ৬ মাস করা এবং ঋণ পুনঃতফসিলের মেয়াদ ১০ বছর করার দাবিও জানানো হয়। এছাড়া জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গ্রিন ফাইন্যান্সিং বা স্বল্প সুদে সৌর বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের সুবিধার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট: জনবান্ধব নাকি ঝুঁকিপূর্ণ?

রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার আশ্বাস দিলেন গভর্নর

আপডেট সময় : ০৩:৩১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই-এর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে এই তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে এফবিসিসিআই মহাসচিব মো. আলমগীরসহ অন্যান্য ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবসায়ী নেতারা জানান, একসময় ইডিএফ তহবিলের আকার ৭ বিলিয়ন ডলার থাকলেও বর্তমানে তা কমে ২.২০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। রপ্তানি কার্যক্রম গতিশীল রাখতে এই তহবিল বাড়ানোর দাবি জানানো হলে গভর্নর ধাপে ধাপে তা ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন। বিকেএমইএ-এর পক্ষ থেকে এই তহবিল ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধির প্রস্তাবও করা হয়েছে।

বৈঠকে সুদের হার স্থিতিশীল রাখা এবং তা পর্যায়ক্রমে এক অঙ্কে নামিয়ে আনার ওপর জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ বাড়াতে সরকারি ঋণের চাপ কমানোর সুপারিশ করেন ব্যবসায়ীরা। ঋণ খেলাপি হওয়ার সময়সীমা ৩ মাস থেকে বাড়িয়ে ৬ মাস করা এবং ঋণ পুনঃতফসিলের মেয়াদ ১০ বছর করার দাবিও জানানো হয়। এছাড়া জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গ্রিন ফাইন্যান্সিং বা স্বল্প সুদে সৌর বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের সুবিধার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।