সম্প্রতি ড্রোন হামলার শিকার হওয়ার পর নিজেদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর ঘোষণা দিয়েছে কুয়েত। গত রোববার দেশটির বেশ কিছু সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও মন্ত্রণালয় লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়। যদিও এই হামলায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, তবে রাষ্ট্রীয় সম্পদের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
কুয়েত সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা এখন থেকে যে কোনো ধরনের ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে আধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ব্যবহার করবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক সতর্কবার্তায় সেনাবাহিনী সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে বলেছে, বিস্ফোরণের শব্দ শুনলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই; এটি মূলত শত্রুপক্ষের হামলা রুখে দেওয়ার ফলাফল।
কুয়েত সরকার এই ঘটনার পর নাগরিকদের জন্য নতুন নিরাপত্তা নীতিমালা জারি করেছে এবং সবাইকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে কুয়েতের এই শক্তিশালী প্রতিরক্ষা অবস্থান আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
রিপোর্টারের নাম 
























