ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

খুলনায় হামের সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ: ৫ দিনে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩০০ ছুঁইছুঁই

খুলনা বিভাগে হামের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ৬৬ থেকে বেড়ে ২৯৯ জনে দাঁড়িয়েছে। সংক্রমণের এই দ্রুত বিস্তারকে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ‘বিস্ফোরণধর্মী’ হিসেবে বর্ণনা করছেন। ইতোমধ্যে কুষ্টিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যা স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, কুষ্টিয়া জেলায় সবচেয়ে বেশি ১০৩ জন শিশু আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া যশোর, খুলনা সিটি কর্পোরেশন এবং ঝিনাইদহ এলাকাতেও দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদানের ঘাটতি এবং প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে গুরুত্ব না দেওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। হাম অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় একজন আক্রান্ত শিশু থেকে দ্রুত অন্য শিশুদের মধ্যে এটি ছড়িয়ে পড়ছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় খুলনা বিভাগের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। যশোর সদরসহ বিভিন্ন হটস্পটে ২১ দিনব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হচ্ছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, সংক্রমণের গতি কমাতে টিকাদানের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আক্রান্ত শিশুদের আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

খুলনায় হামের সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ: ৫ দিনে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩০০ ছুঁইছুঁই

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

খুলনা বিভাগে হামের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ৬৬ থেকে বেড়ে ২৯৯ জনে দাঁড়িয়েছে। সংক্রমণের এই দ্রুত বিস্তারকে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ‘বিস্ফোরণধর্মী’ হিসেবে বর্ণনা করছেন। ইতোমধ্যে কুষ্টিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যা স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, কুষ্টিয়া জেলায় সবচেয়ে বেশি ১০৩ জন শিশু আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া যশোর, খুলনা সিটি কর্পোরেশন এবং ঝিনাইদহ এলাকাতেও দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদানের ঘাটতি এবং প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে গুরুত্ব না দেওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। হাম অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় একজন আক্রান্ত শিশু থেকে দ্রুত অন্য শিশুদের মধ্যে এটি ছড়িয়ে পড়ছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় খুলনা বিভাগের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। যশোর সদরসহ বিভিন্ন হটস্পটে ২১ দিনব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হচ্ছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, সংক্রমণের গতি কমাতে টিকাদানের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আক্রান্ত শিশুদের আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।