ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

জনবল সংকটে ধুঁকছে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, চরম ভোগান্তিতে রোগীরা

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবলের তীব্র সংকটে ভেঙে পড়েছে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা। বিশেষ করে চা-বাগান অধ্যুষিত এই এলাকার হাজার হাজার শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। প্রতিদিন কয়েকশ রোগী হাসপাতালে এলেও চিকিৎসক ও নার্স সংকটের কারণে তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে ফিরে যেতে হচ্ছে।

জানা গেছে, ২০১২ সালে হাসপাতালটিকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও সেই অনুযায়ী জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বর্তমানে ১৪৫টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ৩৭টি পদই শূন্য রয়েছে। চিকিৎসকের অভাবে ইউনিয়ন পর্যায়ের চিকিৎসকদের দিয়ে কোনোমতে কাজ চালানো হচ্ছে, যার ফলে তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবাও ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া টেকনিশিয়ানের অভাবে এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিনগুলো অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, প্রতিদিন বহির্বিভাগে প্রায় ৯০০ এবং জরুরি বিভাগে শতাধিক রোগী সেবা নিতে আসেন। কিন্তু সীমিত জনবল নিয়ে এই বিশাল চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ দিয়ে এই অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হোক।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

জনবল সংকটে ধুঁকছে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, চরম ভোগান্তিতে রোগীরা

আপডেট সময় : ০২:৩৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবলের তীব্র সংকটে ভেঙে পড়েছে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা। বিশেষ করে চা-বাগান অধ্যুষিত এই এলাকার হাজার হাজার শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। প্রতিদিন কয়েকশ রোগী হাসপাতালে এলেও চিকিৎসক ও নার্স সংকটের কারণে তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে ফিরে যেতে হচ্ছে।

জানা গেছে, ২০১২ সালে হাসপাতালটিকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও সেই অনুযায়ী জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বর্তমানে ১৪৫টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ৩৭টি পদই শূন্য রয়েছে। চিকিৎসকের অভাবে ইউনিয়ন পর্যায়ের চিকিৎসকদের দিয়ে কোনোমতে কাজ চালানো হচ্ছে, যার ফলে তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবাও ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া টেকনিশিয়ানের অভাবে এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিনগুলো অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, প্রতিদিন বহির্বিভাগে প্রায় ৯০০ এবং জরুরি বিভাগে শতাধিক রোগী সেবা নিতে আসেন। কিন্তু সীমিত জনবল নিয়ে এই বিশাল চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ দিয়ে এই অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হোক।