ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক শক্তি আরও বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে এই অঞ্চলে অত্যন্ত শক্তিশালী ও প্রাণঘাতী দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ‘জেএএসএসএম-ইআর’ (JASSM-ER) মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের কারণে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে থাকা মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও কমিয়ে ফেলা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত মার্চ মাসের শেষ দিকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ঘাঁটিতে থাকা এই উন্নত অস্ত্রশস্ত্র এখন ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের অধীনে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে স্থানান্তর করা হচ্ছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংরক্ষিত ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা প্রায় ২ হাজার ৩০০টি জ্যাসম-ইআর ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে একটি বড় অংশই এখন মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক অভিযানের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের জন্য মাত্র কয়েকশ ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট রয়েছে। এছাড়া যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বলেও জানা গেছে।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই দূরপাল্লার অস্ত্রের মজুত নিয়ে পেন্টাগনের ভেতরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারণ বর্তমানে যে হারে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে, সেই তুলনায় পুনরায় উৎপাদন করতে কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের মজুতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ অস্ত্র এই অঞ্চলে নিয়োজিত করেছে।
রিপোর্টারের নাম 























