ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

বেড়ার ২৫ চরের মানুষের ভরসা এখন ধ্বংসস্তূপ: অযত্নে পড়ে আছে ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স

পাবনার বেড়া উপজেলার পদ্মা ও যমুনা নদীবেষ্টিত ২৫টি চরের হাজার হাজার মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত হওয়ার কথা ছিল একটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সের। তবে অযত্ন আর চরম অবহেলায় সেটি এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। ২০১৩ সালে ঘটা করে চালু করা এই সেবামূলক বাহনটি এখন স্থানীয়দের কোনো কাজেই আসছে না, উল্টো এর মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগ উঠেছে।

সূত্রমতে, চরাঞ্চলের মুমূর্ষু রোগী ও প্রসূতি মায়েদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানোর লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই অ্যাম্বুলেন্সটি বরাদ্দ দিয়েছিল। তবে চালুর পর থেকেই যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এটি বিকল হয়ে পড়ে থাকে। বর্তমানে ইঞ্জিনসহ অনেক সরঞ্জাম গায়েব হয়ে যাওয়ায় এটি এখন কঙ্কালসার অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিগত সরকারের দুর্নীতি আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ভেস্তে গেছে চরের মানুষের উন্নত চিকিৎসার স্বপ্ন।

চরের বাসিন্দারা জানান, এই অ্যাম্বুলেন্সটি সচল থাকলে জরুরি প্রয়োজনে তারা দ্রুত উপজেলা সদরের হাসপাতালে পৌঁছাতে পারতেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা পুনরায় এটি চালুর দাবি জানিয়েছেন। তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, বিষয়টি অনেক পুরনো হওয়ায় এবং প্রয়োজনীয় জনবল ও তদারকির অভাবে এটি অকেজো হয়ে রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভৈরবে বাজারের নামকরণ নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ২ জনের মৃত্যু, অর্ধশতাধিক বাড়িতে লুটপাট ও আগুন

বেড়ার ২৫ চরের মানুষের ভরসা এখন ধ্বংসস্তূপ: অযত্নে পড়ে আছে ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স

আপডেট সময় : ১১:০৪:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

পাবনার বেড়া উপজেলার পদ্মা ও যমুনা নদীবেষ্টিত ২৫টি চরের হাজার হাজার মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত হওয়ার কথা ছিল একটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সের। তবে অযত্ন আর চরম অবহেলায় সেটি এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। ২০১৩ সালে ঘটা করে চালু করা এই সেবামূলক বাহনটি এখন স্থানীয়দের কোনো কাজেই আসছে না, উল্টো এর মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগ উঠেছে।

সূত্রমতে, চরাঞ্চলের মুমূর্ষু রোগী ও প্রসূতি মায়েদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানোর লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই অ্যাম্বুলেন্সটি বরাদ্দ দিয়েছিল। তবে চালুর পর থেকেই যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এটি বিকল হয়ে পড়ে থাকে। বর্তমানে ইঞ্জিনসহ অনেক সরঞ্জাম গায়েব হয়ে যাওয়ায় এটি এখন কঙ্কালসার অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিগত সরকারের দুর্নীতি আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ভেস্তে গেছে চরের মানুষের উন্নত চিকিৎসার স্বপ্ন।

চরের বাসিন্দারা জানান, এই অ্যাম্বুলেন্সটি সচল থাকলে জরুরি প্রয়োজনে তারা দ্রুত উপজেলা সদরের হাসপাতালে পৌঁছাতে পারতেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা পুনরায় এটি চালুর দাবি জানিয়েছেন। তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, বিষয়টি অনেক পুরনো হওয়ায় এবং প্রয়োজনীয় জনবল ও তদারকির অভাবে এটি অকেজো হয়ে রয়েছে।