বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অন্যতম সেরা তারকা হামজা চৌধুরী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয়ী। ইংল্যান্ড প্রবাসী এই মিডফিল্ডার জাতীয় দলের সঙ্গে এক বছর পূর্ণ করেছেন এবং এই সময়ে নিজের অভিজ্ঞতা, দলের উন্নতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সিঙ্গাপুরের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে লড়াই করে হারের পরও তিনি দলের অগ্রগতিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং এই পারফরম্যান্সকে ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
ভারতের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়ার পর থেকে হামজা ৯টি ম্যাচ খেলেছেন। ডিফেন্স ও মিডফিল্ডে নিজের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি চারটি গোল এবং কয়েকটি অ্যাসিস্টও করেছেন তিনি। হামজার মতে, জাতীয় দলে খেলা তার জীবনের অন্যতম সেরা সিদ্ধান্ত। যদিও দল এখনও বড় কোনো টুর্নামেন্টের যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি, তিনি এই সময়টাকে শেখার এবং শক্তিশালী হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছেন। কঠিন ম্যাচ এবং হারের অভিজ্ঞতা দলকে আরও পরিণত করে তুলছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
হামজার আগমনের পর বাংলাদেশ দলের খেলায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। তার উপস্থিতি মাঝমাঠে স্থিরতা, নিয়ন্ত্রণ এবং আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছে। ইউরোপিয়ান ফুটবলে খেলার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি শুধু নিজের পারফরম্যান্সেই নয়, দলের সামগ্রিক খেলায়ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছেন। ইতোমধ্যেই কোয়ালিফাই করা সিঙ্গাপুরের মতো দলের মাঠে গিয়ে বাংলাদেশের লড়াইকে তিনি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন।
হামজা বলেন, ‘আমি এখানে আসার পর এই এক বছরে দল হিসেবে আমরা অনেক উন্নতি করেছি। সিঙ্গাপুরের মতো একটি দল, যারা ইতোমধ্যে কোয়ালিফাই করেছে, তাদের মাঠে গিয়ে আমরা যেভাবে খেলেছি, সেটা আমাদের গর্বিত হওয়ার মতো বিষয়। একই সঙ্গে এটা আমাদের ভবিষ্যতের জন্যও ভালো ইঙ্গিত দেয়। সিঙ্গাপুর খুব ভালো দল, তাই তাদের বিপক্ষে এমন পারফরম্যান্স সত্যিই ইতিবাচক।’
এক বছর সময় খুব বেশি না হলেও, এই সময়ে বাংলাদেশের খেলায় অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে তিনি মনে করেন।
রিপোর্টারের নাম 





















