ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে

রাজধানীর কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকার একটি গ্যাস লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে শনিবার বেলা পৌনে ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

এর আগে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে আরও চারটি ইউনিট যোগ দেয়। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার নিশ্চিত করেছেন যে, দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে কারখানায় আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ব্যবসায়ী এনায়েত হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, আগুন লাগার পরপরই তারা আশপাশের প্রায় ৫০টি বাড়িতে পানি সংগ্রহের চেষ্টা করেন, কিন্তু কোথাও পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বিএনপি নেতা জহিরুল ইসলাম মামুন জানান, এর আগেও এই গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লেগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, কিন্তু তারপরও প্রশাসন কারখানাটি বন্ধ করতে পারেনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ বার নির্বাচনে ১১ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে

আপডেট সময় : ০৩:৪০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকার একটি গ্যাস লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে শনিবার বেলা পৌনে ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

এর আগে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে আরও চারটি ইউনিট যোগ দেয়। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার নিশ্চিত করেছেন যে, দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে কারখানায় আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ব্যবসায়ী এনায়েত হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, আগুন লাগার পরপরই তারা আশপাশের প্রায় ৫০টি বাড়িতে পানি সংগ্রহের চেষ্টা করেন, কিন্তু কোথাও পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বিএনপি নেতা জহিরুল ইসলাম মামুন জানান, এর আগেও এই গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লেগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, কিন্তু তারপরও প্রশাসন কারখানাটি বন্ধ করতে পারেনি।