ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

হামে আক্রান্ত শিশুর দ্রুত আরোগ্যে প্রয়োজনীয় খাদ্যাভ্যাস ও সতর্কতা

শিশুদের হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ যা সাধারণত জ্বর, সর্দি ও কাশির মাধ্যমে শুরু হয়। এই সময়ে শিশুর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তাই তাদের সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। উপযুক্ত খাদ্যাভ্যাস একদিকে যেমন শিশুকে দ্রুত সুস্থ করে তোলে, অন্যদিকে ভুল খাবার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

হামে আক্রান্ত শিশুর জন্য তরল খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা রোধে শিশুকে পর্যাপ্ত পানি, ফলের রস এবং গরম স্যুপ খাওয়ানো উচিত। এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কমলা, আমলকী ও পেঁপের মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল বেশ কার্যকর। পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে দই ও দুধ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি ভাত, রুটি ও সবজির মতো সুষম খাদ্য শিশুর শক্তি বজায় রাখে।

অন্যদিকে, কিছু খাবার এই সময়ে এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার এবং জাঙ্ক ফুড শিশুর সংবেদনশীল পাকস্থলীতে হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার বা মিষ্টি জাতীয় দ্রব্য বর্জন করা উচিত, কারণ এগুলো শরীরের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। শিশুর সুস্থতার জন্য এই সময়ে মা-বাবার বিশেষ সতর্কতা ও সঠিক খাদ্য নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালীতে সামরিক জাহাজ প্রবেশে ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারি

হামে আক্রান্ত শিশুর দ্রুত আরোগ্যে প্রয়োজনীয় খাদ্যাভ্যাস ও সতর্কতা

আপডেট সময় : ০২:৩১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

শিশুদের হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ যা সাধারণত জ্বর, সর্দি ও কাশির মাধ্যমে শুরু হয়। এই সময়ে শিশুর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তাই তাদের সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। উপযুক্ত খাদ্যাভ্যাস একদিকে যেমন শিশুকে দ্রুত সুস্থ করে তোলে, অন্যদিকে ভুল খাবার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

হামে আক্রান্ত শিশুর জন্য তরল খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা রোধে শিশুকে পর্যাপ্ত পানি, ফলের রস এবং গরম স্যুপ খাওয়ানো উচিত। এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কমলা, আমলকী ও পেঁপের মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল বেশ কার্যকর। পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে দই ও দুধ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি ভাত, রুটি ও সবজির মতো সুষম খাদ্য শিশুর শক্তি বজায় রাখে।

অন্যদিকে, কিছু খাবার এই সময়ে এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার এবং জাঙ্ক ফুড শিশুর সংবেদনশীল পাকস্থলীতে হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার বা মিষ্টি জাতীয় দ্রব্য বর্জন করা উচিত, কারণ এগুলো শরীরের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। শিশুর সুস্থতার জন্য এই সময়ে মা-বাবার বিশেষ সতর্কতা ও সঠিক খাদ্য নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি।