আইনমন্ত্রী জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলো বিল আকারে সংসদে উত্থাপনের সময় আগের আইনগুলোর ছাপানো সংস্করণ করতে গেলে প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচ হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এর মধ্যে শুধু কোড অব সিভিল প্রোসিডিউর বা সিপিসি-র কপি দিতেই প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয় হবে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর পয়েন্ট অর্ডারে তিনি এই তথ্য দেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, সংশোধনী বিলের সঙ্গে পূর্ববর্তী আইনের ফটোকপি দিতে গেলে বড় অঙ্কের ব্যয় হবে। তাই খরচ কমাতে সংশ্লিষ্ট আইনগুলো আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ কোডে দেখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা পুরো বিল আনছি কিন্তু বিলের সঙ্গে পূর্ববর্তী আইনের ফটোকপি দিতে গেলে ১২ লক্ষ টাকা লাগবে। এখানে পূর্ববর্তী আইনটা আমরা ওয়েবসাইটের থেকে নিতে বলেছি।’
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ প্রসঙ্গে বলেন যে, পুরনো পুরো আইন না দিলেও, সংশোধনী বিলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোর তুলনামূলক বিবরণ দিলে সংসদ সদস্যদের জন্য বিষয়টি বোঝা সহজ হবে। তিনি আরও বলেন, ‘আগে কি ছিল আইন? আর কি সংশোধন আপনারা আনতে চান? এ ধরনের একটা স্টেটমেন্ট দিলে সদস্যদের জন্য বিবেচনা করতে সুবিধা হবে বলে আমি মনে করি।’
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান এই প্রসঙ্গে বলেন যে, শুধু সংশোধনী প্রস্তাব সামনে থাকলে মূল আইনের সঙ্গে তুলনা করা কঠিন হয়ে পড়বে। তিনি বলেন, ‘এখানে শুধু প্রস্তাবনাটা এসেছে কিন্তু অরিজিনাল বিল কি ছিল সেটা এই মুহূর্তে আমাদের সামনে নাই। যদি অরিজিনাল বিলটা না থাকে তাহলে চেঞ্জটা কি আসলো সেই কম্পারিজন তো আমরা করতে পারবো না।’ জবাবে স্পিকার বলেন, যে ধারায় সংশোধনী আনা হয়েছে, তার সঙ্গে কী পরিবর্তন হচ্ছে, সেটি পরিষ্কারভাবে সদস্যদের সামনে তুলে ধরা হবে এবং প্রয়োজনে সংসদেই তা ব্যাখ্যা করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 



















