আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কলকাতার ঐতিহাসিক রেড রোডে যোগাভ্যাস অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। এই আয়োজন একদিকে যেমন উৎসাহের সঞ্চার করেছে, তেমনই অন্যদিকে এর অনুমতি এবং ব্যবহার নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও দানা বেঁধেছে।
রবিবার রেড রোডে হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সি. ভি. আনন্দ বোস এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানটিকে ঘিরে কয়েকদিন ধরে রেড রোডে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল এবং একটি বড় মঞ্চও তৈরি করা হয়।
তবে, এই অনুষ্ঠানের জন্য রেড রোড ব্যবহারের অনুমতি নিয়েই মূলত বিতর্কের সূত্রপাত। সমালোচকদের একাংশের অভিযোগ, মুসলিমদের ঈদের নামাজের জন্য এই স্থান ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়নি, অথচ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তা বন্ধ রাখা হয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক নীতিতে কি সমতা বজায় রাখা হচ্ছে?
সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলের একাংশ দাবি করেছেন যে, জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান ব্যবহারের ক্ষেত্রে সকল প্রকার অনুষ্ঠানের জন্য একই ধরনের নীতি অনুসরণ করা উচিত।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর বক্তব্যে যোগকে মানবজীবনের সামগ্রিক উন্নয়ন, মানসিক শান্তি এবং সামাজিক ঐক্যের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে, মানসিক চাপ কমাতে এবং মানুষের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে।
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। তবে, কলকাতার রেড রোডের আয়োজনকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা দিনের আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে।
রিপোর্টারের নাম 



















